আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস

২০ জুন, সোমবার, ২০১৬

“রোহিঙ্গা শুমারীর পরেই সরকারের কাছে সমাধান দাবী আশা করছেন কক্সবাজার জেলার জনসাধারণ “

জেড করিম জিয়া

আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস

রোহিঙ্গা শরণার্থী

দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বন্ধ থাকায় টেকনাফ উপজেলা জুডে আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রেজিস্টার্ড, আনরেজিস্টাড সহ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে টেকনাফের প্রশাসন। এসব রোহিঙ্গা শরণার্থী নিয়ে সরকারি-বেসরকারি কোনো সংস্থার মাথাব্যথা না থাকায়, আবারও আরো লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে মিয়ানমারের নতুন সরকার।

অন্যদিকে কক্সবাজার বাসী দীর্ঘদিন পরে হলেও নতুন করে শুরূ হওয়া জেলা জুড়ে রোহীঙ্গা শুমারীর পর এ রোহীন্গা সমস্যার সমাধান চান সরকারের কাছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, র্সব প্রথম ১৯৭৮ সালে জোর পূর্বক অনুপ্রবেশকারী হিসেবে টেকনাফ এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে শুরু করে। সর্বশেষ ১৯৯১ সালে মিয়ানমারের ৩ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে শরনার্থী হিসেবে আসে এবং টেকনাফের দমদমিয়া, মোছনী ও নয়াপাড়া, উখিয়ার কুতুপালং, ঘুমধুম এলাকায় শরনার্থী ক্যাম্পে বসবাস করে। এরপর থেকে বাংলাদেশ ও মায়ানমার সরকার ইউএনইচসিআরের সহায়তায় ১৯৯২ সালের সেপ্টেম্বর থেকে প্রত্যাবাসনের কার্যক্রম শুরু করে। ইতিমধ্যে প্রায় ২ লক্ষ ৩৬ হাজার রোহিঙ্গা শরনার্থীকে স্ব-দেশে ফেরত যায়। ২০০৫ সালের ২৮ জুলাই টেকনাফ শরনার্থী প্রত্যাবাসন ঘাট দিয়ে নয়াপাড়া ক্যা¤েপ এক পরিবারের ২ সদস্য মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার পর থেকে প্রতাবাসন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ে।

এর পর থেকে রোহিঙ্গারা উন্নত জীবন যাপনের আশায় বাংলাদেশকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে প্রতিদিন অনুপ্রবেশ করছে শত শত রোহিঙ্গা। তারা অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে দখলে নিয়েছে শ্রমবাজার। বর্তমানে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অবৈধ চোরাচালান সহ অসামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে আইনশৃংখলাসহ সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করছে।এছাড়া সংঘঠিত করছে চুরি, ডাকাতিসহ নানান অপরাধ কর্মকান্ড।

এ রোহিঙ্গা সমস্যা শুধু কক্সবাজার জেলার নয়, পুরো দেশ জুড়ে এ সমস্যা দিন দিন ব্যাধী হয়ে প্রকট আকার ধারণ করছে। তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাড়ি জমাচ্ছে পাকিস্তান, মালয়েশিয়া সহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। তাদের কারনে বহি বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। অনেকে ভোটার তালিকায়ও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

অভিবাসন অফিস সুত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৮ জুলাই টেকনাফ শরনার্থী প্রত্যাবাসন ঘাট দিয়ে নয়াপাড়া ক্যাম্পের এক পরিবারের ২ সদস্য মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার পর থেকে প্রতাবাসন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে জেলা জুড়েই চলছে রোহিঙ্গা শুমারী
বাংলাদেশে অবৈধভাবে বসবাসকারি রোহিঙ্গাদের সংখ্যা নির্ধারণে চলছে রোহিঙ্গা শুমারি। গত ২ জুন থেকে শুরু হওয়া এ শুমারি চলে ১৪ জুন পর্যন্ত। গত ফেব্রুয়ারি মাসে খানা (বাড়ি) তালিকা করা হয়। এ তালিকার ভিত্তিতে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে এ শুমারি করা হয়। এ কাজে সার্বিক সহযোগিতা করে গেছেন আরাকানী রোহিঙ্গা শরনার্থী কল্যান পরিষদ।

দেশের কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম ও পটুয়াখালী জেলায় প্রাথমিকভাবে এ শুমারি শুরু করেছে পরিসংখ্যা ব্যুরো। এর মধ্যে কক্সবাজারে ৮৮৬টি দল শুমারির তথ্য সংগ্রহের কাজ করছেন। এরমধ্যে টেকনাফের ৩২৫ টি, উখিয়া উপজেলায় ২১৫টি, রামু উপজেলায় ৬৮টি, কক্সবাজার সদর উপজেলায় ১৯১টি, চকরিয়া উপজেলায় ৫২টি, পেকুয়া উপজেলায় ৪টি, মহেশখালী উপজেলায় ২৯টি ও কুতুবদিয়া উপজেলায় ২টি দল তথ্য সংগ্রহে কাজ করছে।

সূত্রে জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে খানা তালিকা করা হয়। এ তালিকা অনুযায়ী দেশের ছয় জেলায় প্রায় পঞ্চাশ হাজার খানায় রোহিঙ্গা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এখন ওই সব খানা বা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ চলছে। বলা হয়ে থাকে, রোহিঙ্গারা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠী। নিজ দেশ মিয়ানমারে যাদের নাগরিকত্ব নেই। অস্বীকৃতি, জাতিগত দাঙ্গা আর রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের শিকার আড়াই থেকে ৫ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম আশ্রয় নিয়েছে বাংলাদেশে। কিন্তু এসব রোহিঙ্গাদের সঠিক পরিসংখ্যা কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি।

যার পরিপ্রেক্ষিতে পরিসংখ্যা ব্যুরোর অধিনে গত ফেব্রুয়ারি মাসে তৈরি করা হয় খানা তালিকা। যে তালিকায় রোহিঙ্গা অবস্থানরত বাড়িগুলো শনাক্ত করা হয়। ওই শনাক্ত হওয়া বাড়িতে এখন তথ্য সংগ্রহের কাজও শেষ হয়েছে।

রোহিঙ্গা শুমারি প্রকল্পের পরিসংখ্যা ব্যুরোর পরিচালক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, শুমারির মাধ্যমে সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসবে। শুমারিতে ছবিসহ প্রায় ৪৬ ধরনের তথ্য নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে মিয়ানমারের ঠিকানা, সেখান থেকে আসার কারণ এবং বাংলাদেশে অবস্থানের তথ্য গুরুত্বপূর্ণ। যাদের নাম শুমারিতে অন্তর্ভুক্ত হবে, তাদের ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র দেয়া হবে। যা দিয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।এই শুমারির মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের বিষয়ে একটি নির্ভরযোগ্য তথ্য ভান্ডার তৈরি হবে বলে আশা করছেন তিনি।

আরাকানী রোহিঙ্গা শরনার্থী কল্যান পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ শাহ জানান, ভাসমান না থেকে একটি পরিচয়ে বসবাস ও দাবী আদায়ের জন্য শুমারি একটি বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে।

এদিকে দেশের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিদিন কোন না কোন সীমান্ত দিয়ে রোহিঙ্গা পুশব্যাক তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করলেও প্রকৃত অর্থে রোহিঙ্গা কোন না কোন ভাবে বাংলাদেশে স্থায়ী হয়ে বসবাস করছে।

টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ বলেছেন, টেকনাফে রজিস্টার্ড নয়াপাড়া শিবিরে তালিকাভুক্ত শরণার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৪ হাজার অন্যদিকেএ ক্যাম্পের সন্নিকটে লেদা আনরেজিস্টার্ড শরনার্থী ক্যাম্পে অবস্থান করছে প্রায় ২০ হাজারও অধিক রোহিঙ্গা এবং বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে আরও প্রায় লক্ষাধিক রোহিঙ্গার।তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য ভয়াবহ হুমকি। রোহিঙ্গার বিষয়ে সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী এক রোহিঙ্গা জানিয়েছেন, মিয়ানমারের আরাকানে বসবাসরত লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার জন্য নতুন এক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মিয়ানমারের নতুন সরকার ’মডেল ভিলেজ’ নাম দিয়ে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় রাখাইন বসতি স্থাপন করার মাধ্যমে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শুধু মংডু টাউনশিপে এ ধরনের ৪০টি ‘মডেল ভিলেজ’ তৈরি করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, মডেল ভিলেজ নিয়ে বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। রোহিঙ্গা মুসলিমরা মনে করছে, মিয়ানমার নতুন সরকার আরাকানে অবশিষ্ট লাখ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে তাদের মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত করতে এ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। সহিংস ঘটনাও এ পরিকল্পনার অংশ।

বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, বর্তমানে মিয়ানমারের উত্তর পশ্চিম আরাকান রাজ্যের বাসিন্দা “রোহাংঙ্গ” এলাকার জনগোষ্ঠি মুসলিম সম্প্রদায় রোহিঙ্গা নামে পরিচিত।

সাধারণতঃ আরাকান রাজ্যের ৩টি শহরাঞ্চল মংডু, বুচিদং ও আকিয়াবে এদের বসবাস। মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যটির ভৌগলিক অবস্থান উত্তর অক্ষাংশের ১৭.১৫ এবং ২১.৭ এর মধ্যে পূর্ব দ্রাঘিমাংশে ৯২.১৫ এবং ৯৪.৫৫ এর মধ্যে অবস্থিত। আয়তন ছিল ২০ হাজার বর্গ মাইল। মিয়ানমার স্বাধীনতার পর উত্তর আরাকানের কিছু অংশ মিয়ানমারের চীন প্রদেশে এবং দক্ষিণ আরাকানের কিছু অংশ লোয়ার মিয়ানমারের ইরাবতী ডিভিশনে অন্তর্ভূক্ত করা হলে বর্তমানে আরাকান রাজ্যের আয়তন ১৬ হাজার বর্গ মাইল। অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এ আরকান রাজ্য।

এ রাজ্যর মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ মুসলিম হওয়ায় শাসকরা নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন ছাড়া কোন উন্নয়ন করেনি। আরাকান সহ পুরো দেশটি এত কঠোরভাবে সামরিকদের দিয়ে নিয়ন্ত্রণ রেখেছে, যার কারণে রোহিঙ্গা মুসলমানের উপর অহরহ অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে।

১৯৪৮ সালে মিয়ানমার স্বাধীনতা লাভকরার পর থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত শুধু মুসলিম অধ্যূষিত আরাকান রাজ্যে ইমিগ্রিশন এ্যাক্টের বাহানায় বিভিন্ন নামে মোট ১৪ বার বড় ধরণের অপারেশন চালায়।

এগুলো হচ্ছে-যথা, বার্মা টেরিটরিয়াল ফোর্স (ইউএমপি) অপারেশন, ক্যাপ্টেন টিন ক্যাইউ অপারেশন, শিউকাই অপারেশন, কাইগান অপারেশন, নাগাজিনকা অপারেশন, মাইয়টি মন অপারেশন, মেজর অংথান অপারেশন, সেব অপারেশন, নাগামিন ড্রাগন অপারেশন, গেলন অপারেশন শিউ হিন থা অপারেশন ইত্যাদি।

এ ১৪টি সশস্ত্র অপারেশনে আরাকানী মুসলমানদের অবর্ণনীয় দূর্ভোগ, রাহাজানি, নির্যাতনের শিকার ও হতাহত হয়েছে এবং এ নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে রোহিঙ্গা মুলমান উদ্ধাস্থ হিসাবে জীবন যাপন করছে। এখনো মিয়ানমারের আরাকানের মুসলমানদের উপর বহুমুখী নির্যাতন ও অমানবিক আচরণ অব্যাহত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়। তম্মধ্যে জবরদস্থ শ্রম, বিবাহ বন্ধনে বাধা, যাতায়াতের ক্ষেত্রে বাধা নিষেধ, নিরবিচ্ছিন্ন হত্যা, গ্রেফতার, মুসলিম বস্তি উচ্ছেদ, জায়গা জমি ও ওয়াকফ স¤পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং রাজনৈতিক নিপীড়ন, ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে বাধা, অর্থনৈতিক বঞ্চনা ও শোষণ, মহিলাদের শ্লীলতাহানী, নতুন বুদ্ধ বসতি স্থাপন, ধর্মীয় বিদ্বেষ ও মুসলিমদের সে দেশের নাগরিক হিসেবে অ-স্বীকৃতি ইত্যাদি।

লেদা আনরেজিস্টার্ড বস্তিতে স্বপরিবারে বসবাসরত আবুল কালাম বলেন, নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশে আসতে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী নাসাকা তাদের কোনো বাধা দেয় না। বরং উৎসাহিত করে থাকে। ফিরে যেতে চাইলে তারা আবার বাধা দেয়।

টেকনাফে প্রশাসনের এক কর্মকর্তাও এমনটা স্বীকার করে বলেন, কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পর অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের পুশব্যাক করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে। এ কর্মকর্তার মতে মিয়ানমার জান্তা সরকার সীমান্তজুড়ে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করেছে আরাকানকে রোহিঙ্গাশূন্য করার জন্য। আবার সরকারের শীর্ষ মহল থেকে কোনো নির্দেশনা না থাকায় তাদের শরণার্থী মর্যাদা প্রদান অথবা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাও গ্রহণ করা যাচ্ছে না। সংখ্যায় বেশি হওয়ায় পুশব্যাকও করা সম্ভব হচ্ছে না।

সচেতন মহল মনেকরেন, কক্সবাজার জেলার ২৩ লাখ মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় রয়েছে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি কবে চূড়ান্ত হবে। বর্তমান সুচির গঠিত নতুন সরকার কে যদি আন্তর্জাতিক ভাবে চাপ সৃষ্টি করা যায় তবেই রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া মিয়ানমার-বাংলাদেশ এর সাথে মাঝেমধ্যে কিছু কিছু বন্দী বিনিময় হলেও রোহিঙ্গাদের ফেরৎ নেয়ার বিষয়টি বরাবরই চলে যাচ্ছে হিমাগারে।

তারা আরো মনে করেন এভাবে যদি জলস্রোতের মত রোহিঙ্গারা এদেশে অনুপ্রবেশ করলে একদিন তারা এদেশের শ্রমবাজার দখল সহ আরাকানের অঙ্গরাজ্য হিসেবে দাবী করবে। তাই অবিলম্বে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে-ছিঠিয়ে থাকা ও ক্যাম্পে রেজিষ্ট্রাড-আনরেজিষ্ট্রাড রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করে তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর কথাও উল্লেখ করেন তারা।

সিটিজিবার্তা২৪ডটকম/ জেড কে/ জেএ/ এম কে

আপনার মতামত দিন....

এ বিষয়ের অন্যান্য খবর:


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.