একজন কুঞ্জর হার না মানার গল্প

শুক্রবার, ৪ মার্চ, ২০১৬

সিটিজিবার্তা২৪ডটকম

একজন কুঞ্জর হার না মানার গল্প

জেনিফার আলম : ইফরীত জাহিন কুঞ্জর সাথে আমার প্রথম পরিচয় হয় জাস্টিস ফর ওম্যান, বাংলাদেশ নামক একটা ফেসবুক গ্রুপে। হটাৎ কি মনে করে এই গ্রুপটাকে সাজেসটেড গ্রুপের মধ্যে পেলাম, জয়েন রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে দিলাম। দেখি যেই মানুষটা এক্সেপ্ট করলো তার নাম ইফরীত জাহিন কুঞ্জ, একই সাথে যে কিনা গ্রুপটার এডমিন।

প্রথমে ভেবেছিলাম এইটা বোধহয় খুবই দশটা ফেসবুক গ্রুপের মত, পরে দেখি কাহিনী আরো ভিন্ন,আরো মজার। একটা মেয়ে গ্রুপে পোস্ট করলো তার সমস্যা, যে সে সাইবার ক্রাইমের শিকার, কুঞ্জ ও আরেকজন এডমিন তার সাথে ইনবক্সে কথা বলে। দুইদিন পরে দেখি কুঞ্জর পোস্ট, যেই মেয়ে কম্পলেইন নিয়ে এসেছিলো সেই আসামীকে ডিবি গ্রেফতার করে তিন  দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে ।

ব্যাপারটাতে আমি বেশ মজাই পেলাম, এদের কাজ অনেকটা অনলাইন থানার মত, এরা অনলাইনে যে কোনো নারী নির্যাতনের কেস নেয়, নিয়ে ব্যাপারটা নিজেরাই তদন্ত করে পুলিশকে জানায়, জানানোর পর পুলিশ ও তারা মিলে আসামীকে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনে। কেউ যদি পরবর্তীতে বিচারের বিষয়টা নিয়ে উকিলের দারস্থ হয়, সেখানেও তারা তাদের ল চেম্বারের উকিল দিয়ে সাহায্য করে। উকিলদের রেটও ফিক্স করা। ৭০ টাকা থেকে ৭০০০ টাকার মধ্যে তারা পুরো কেস সলভ করে দেয়, কিন্তু কেস বেশি কম্পলিকেটেড হলে এইটা ভিন্ন ব্যাপার, এইটা তারা পরবর্তীতে উকিলের হাতে ছেড়ে দেয়। অনেক সময় নির্যাতিতার আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে তারা কেস ফ্রিতেও করে দেয়।

তখন আমি ফেসবুকে নক করলাম কুঞ্জকে। শুনলাম  তার অদ্ভুত জীবনের গল্প শুনলাম।

কুঞ্জর বাবা একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা। বাবার চাকরির সুবাদে কুঞ্জ বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্টে বড় হয়েছে। কুঞ্জ বললো, তার বয়েস ১৭ হওয়ার আগেই তার পুরো দেশ ঘুরে দেখা শেষ, বাবা-মার সাথে। ছোটবেলা থেকে নাকি প্রচন্ড ডানপিটে স্বভাবের ছিলো সে। এই হয়তো গাছ থেকে পড়ে গিয়ে হাত ভাঙ্গছে অথবা সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে পা ভাঙ্গছে। কিন্তু পড়ালেখায় ন্যুনতম মনোযোগ তার কখনোই ছিলো না, ক্যান্টনমেন্ট এর পরিবেশে বড় হয়েছে দেখে সে সারাদিন বাইরে খেলাধুলা করে বেড়াতো। বই খাতার ধারে কাছেও সে নাই কখনো। এইটা নিয়ে মা-বাবার বকুনি আর শাসনের অভাব হয়নি কখনো।

এরপর যখন তার বাবার পোস্টিং আর্মি হেডকোয়ার্টারে হয়ে সে ঢাকায় আসলো ক্লাস সেভেনে পড়া অবস্থায়, তখন সিদ্ধান্ত নিলো যে – নাহ, এইবার মনে হয় পড়ালেখা ঠিক ঠাক মত করা উচিত। ভর্তি হলো শহীদ বীর উত্তম ল্যাঃ আনোয়ার গার্লস কলেজে। কুঞ্জ বহু কষ্টে  ক্লাস এইট থেকে যেই পড়ালেখায় একটু মনোযোগ দেয়া শুরু করলো সেই মুহুর্তে তুখোড় রেজাল্ট করা শুরু করলো। রেজাল্ট দেখে সবাই হতবাক।

রেজাল্ট দেখে সাহস করে ম্যাথ অলিম্পিয়াডে যোগ দিলো কুঞ্জ। সেইখানেও জাতীয় পর্যায়ে সে ভালো ফল করলো। ফল দেখে মোটামুটি রকমের হতভম্ব হয়ে গেলো ওর আত্মীয় স্বজন, কারন সে ছোটবেলা থেকেই ”এই মেয়ে জীবনে কিচ্ছু করতে পারবে না ” – সিলে মার্ক হওয়া একটা মানুষ। সাথে টুকটাক বিতর্ক, গান ও অভিনয় শুরু করলো। অতঃপর এসএসসিতে সব বিষয়ে এ+ পেয়ে আবার শহীদ বীর উত্তম ল্যা: আনোয়ার গার্লস কলেজেই ভর্তি হলো। শুরু হলো কুঞ্জর বিতর্ক আর অভিনয় করা। একটা সময় যেই মেয়ে কারো সাথে কথা বলতে পারতো না, সেই মেয়ে স্টেজ কাঁপিয়ে বিতর্ক করতে লাগলো।  সাংসদীয় বিতর্কেও তাক লাগিয়ে দিলো সবাইকে।

এইভাবে বিতর্ক – অভিনয়- পড়ালেখা নিয়ে চলতে চলতে একদিন এইচ এস সি পরীক্ষায় আবার সব বিষয়ে এ+ নিয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করলো।

এরপর শুরু হলো কুঞ্জর জীবনের যুদ্ধ। সারাদিন ছেলেমানুষদের মত গাড়ি নিয়ে পড়ে থাকতো। এইটা নিয়ে কত খোঁটা শুনতে হয়েছে তাকে!! ওর খুব ইচ্ছা ছিলো, বড় হয়ে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ার বা এরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হবে। কিন্তু কুঞ্জর বাবা মার একান্ত ইচ্ছা ছিলো – না, মেয়ে ডাক্তারই হবে। ওর অনেক ইচ্ছা ছিলো হার্ভাডে গিয়ে পড়ালেখা করার, এইজন্য সে স্যাট-১ এর পরীক্ষা দেয়ার জন্যও প্রিপারেশন নিচ্ছিলো। কিন্তু কুঞ্জর বাবা মার ইচ্ছার কাছে পরাজিত হলো ওর সারাজীবনের স্বপ্ন।  মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়লো সে। বাবা মা জোর করে মেডিক্যালে ভর্তি পরীক্ষা দেয়ালো। টিকে নাই সে সরকারিতে। পরে এক বছর বিরতি নিয়ে আবার ভর্তি পরীক্ষা দিলো। চান্স পেল ডেন্টালে।

কিন্তু ডেন্টালে পড়বে না বলে সে বাবা মার উপর কিছুটা রাগ, জেদ ও হতাশা নিয়ে চলে আসল ময়মনসিংহ এ নানার বাসায়, ভর্তি হলো কমিনিউটি বেজড মেডিক্যাল কলেজে। প্রচন্ড মানসিক চাপ আর ডিপ্রেশনে ভুগতে শুরু করলো। যেই মেয়েটা টানা তিন চার ঘন্টা শুধু কথাই বলতো, মেয়েটা এখন কোনো কথাই বলে না আর। সারাদিন ফেসবুকে পড়ে থাকতো, খালি খাওয়ার সময় নিজের রুম থেকে বের হতো। আর সারাদিন নিজেকে রুমে আটকিয়ে রাখতো। মেডিক্যালে পড়ালেখার চাপও নিতে না পেরে আরো বেশি মানসিক ভাবে ডিপ্রেশনে পড়তে শুরু করলো। সেই সময় কুঞ্জর বাবা মা বুঝতে পারলো, যে তারা নিজেদের অজান্তেই মেয়েটার কত বড় ক্ষতি করে ফেলেছে। কিন্তু ততদিনে অনেক দেরী হয়ে গিয়েছে। কুঞ্জ পুরোপুরি ভাবে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত।

দেখা যেত, সে ক্লাস শেষ করে এসে বাসায় যেত না। ময়মনসিংহ এ বিভিন্ন বিদেশী মিশনারিগুলো তখন অনাথ আশ্রম ও বৃদ্ধাশ্রম চালাত। কুঞ্জ সেইখানে চলে যেত, গিয়ে ওদের সাথে সময় কাটাতো। এইদিকে আবার ফেসবুকে বিভিন্ন অচেনা অপরিচিত ছেলেদের সাথে কথা বলত, এইদিকেই ঘটলো বিপত্তি। একবার এক ছেলে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে এত বাজে ভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়, যে সে কুঞ্জর নামে যা তা বলে বেড়ানো শুরু করে মানুষজনের কাছে। কুঞ্জকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়া শুরু করে, সেই ছেলের তালে তালে আরো অনেকেই আসে; যারা কুঞ্জকে চিনতোই না তখন। কুঞ্জ তখন আবিষ্কার করে, ছেলেটা সাইবার ক্রিমিনাল ও রাস্ট্রবিরোধী অনেক অপরাধের সাথে জড়িত।

যেইগুলার কিছু জিনিষ কুঞ্জর কাছে ফাঁস হয়ে গিয়েছিল দেখে কুঞ্জ প্রত্যাখ্যাত করে দেয়। সে এই ভয়ে কুঞ্জকে সবার সামনে অপমানিত করা শুরু করলো যাতে কেউই কুঞ্জর কোনো কথায় বিশ্বাস না করে।

এইদিকে শুরু হলো কুঞ্জর বিভীষিকাময় দিন।সে পুলিশের কাছে সাহায্য চাইলো। পুলিশ সাহায্য করে নাই। সে সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্টের কাছে সাহায্য চাইলো। তারা সাহায্য করে নাই।

এইবার কুঞ্জর ভিতরের এতদিনের জমা হয়া চাপা রাগ ক্ষোভে বিস্ফোরিত হলো। কেন একটা মেয়েকে সামাজিকভাবে ও পারিবারিকভাবে এত সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে??? ভয়াবহ জেদী এই মেয়েটার মাথায় ভালো রকমের জিদ উঠে গেলো, যে এই ছেলেকে এবং এরকম সব ছেলেগুলোকে ভালো মত শিক্ষা দিতে হবে। কোনো রকমের ব্যাক আপ ও চিন্তাভাবনা ছাড়াই শুরু করলো ফেসবুকে Justice For Women, Bangladesh গ্রুপের সুচনা, ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে। প্রথমে সবাই হাসাহাসি শুরু করলো।

কুঞ্জকে আশ্চর্য করে দিয়ে গ্রুপ  খোলার প্রথম মাসেই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শাহরিয়ার আলম এমপি ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এসে নিজ থেকে জয়েন দিলেন গ্রুপে। দিয়ে গ্রুপের সকল কাজের সাথে নিজেদের একাত্মতা ও সহোযোগীতা ঘোষনা করলেন।

দুই দুইজন মন্ত্রীর জয়েন করা দেখে অন্যান্য পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকজন এসে স্বতর্স্ফুর্ত ভাবে গ্রুপে এসে জয়েন দিলো। ডিবির সাইবার ক্রাইম টিম এসে জয়েন করলো। খুব কম সময়েই একটা ফেসবুক গ্রুপ হয়ে উঠলো ন্যায়বিচার হওয়ার প্রতীক। কারন গ্রুপ চালাচ্ছে খুব সাধারণ একটা মেয়ে, আর তাকে সাহায্য করছে দেশের সব থেকে শক্তিধর মানুষগুলো।

ধীরে ধীরে পড়ালেখাতেও উৎসাহ পাওয়া শুরু করলো কুঞ্জ। কিন্তু বিধি বাম, ২০১৫ এর আগস্টে কুঞ্জর দুই ওভারিতেই টিউমার ধরা পড়লো, সাথে থাইরয়েড গ্ল্যান্ডের হাইপোথায়রয়েডিজম। সাথে সাথে রীতিমত বিছানায় পড়ে গেলো সে। টিউমারের অসহ্য ব্যাথা আর হাইপোথায়রয়েডিজম এর যন্ত্রনা নিয়ে এখনো কুঞ্জ রীতিমত প্রতিকূল ভাগ্যের সাথে যুদ্ধ করছে। এরই মধ্যে সে তার ২০১২ সালে বন্ধু-বান্ধবীদের নিয়ে খোলা Justice For People Foundation এর রেজিস্ট্রিও করে ফেলেছে, যার সাথে সে এই ফেসবুক গ্রুপটার লিংক করে দিয়ে আরো বেশি উৎসাহ নিয়ে কাজ করছে।

কুঞ্জকে যখন জিজ্ঞেস করলাম, কিভাবে সামলাও এইগুলো। কুঞ্জ কে মনে হলো সে প্রশ্ন শুনে মজা পেলো। বললো –

“আপু, এমনও দিন গিয়েছে সকাল পাঁচটায় উঠে নামাজ পড়ে পড়তে বসি, এগারোটায় ক্লাসে পরীক্ষা দিয়ে ঢাকায় রওনা দিয়ে বিকালে পৌছাই, এখানে এসে বাসায় গিয়ে হাত মুখ ধুয়ে খাওয়া দাওয়া করে অফিশিয়াল মিটিং ডাকি ফাউন্ডেশন এর সব বোর্ড অফ ডিরেক্টরদের। এই মিটিং শেষ হয় রাত এগারোটায়। এরপর খেয়ে আবার নামাজ পড়ে ঘুম দেই। পরেরদিন দেখা যায় কোনো টিভিতে সাক্ষাৎকার এর জন্য গেলাম, বা কোনো যায়গায় মিটিং এর জন্য গেলাম। বা দেখা যায় যে আমি বারডেমে গিয়ে ডাক্তারের এখানে দুই তিন ঘন্টা বসে আছি। সবই এই টিউমারের অসহ্য যন্ত্রনা সহ্য করে। আমি অনেক সময় ব্যাথার চোটে হাঁটতে পারি না, জ্বরও উঠে আসে। কিন্তু মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়ার মত একটা মানুষও নাই। উলটা হাইপোথায়রয়েডিজম হওয়ার কারনে ওজন গত এক বছরে প্রায় ৩৫ কেজির মত বেড়ে যায়, মানুষজন আমার অতিরিক্ত ওজন নিয়ে টিটকারি মারে।আমার টিউমারের সময়ে ডাক্তাররা বলেছিলো যে সার্জারি করে ফেললে সমস্যা সমাধান হবে, কিন্তু বাচ্চা না হওয়ার সম্ভাবনা অনেক, রিস্ক বেশি।  তাই সার্জারি না করে মেডিকেশন আর ধৈর্য্য ধরে বসে আছি টিউমারের ছোট হতে হতে বিলুপ্তি হওয়া নিয়ে, যাতে বাচ্চা নিতে সমস্যা না হয়।

যারা টিটকারি দেয় আমার ওজন নিয়ে, তারাই হয় বড় কোনো জায়গায় কাজ পাওয়ার জন্য আমার রেফারেন্সের আশায় বসে থাকে, অথবা মেয়েদের মধ্যে যারা আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করে তারাই যখন কোনো অপরাধের ভিক্টিম হয়, তখনই আমার কাছে এসে মেকি কান্না করা শুরু করে দেয়। কারন আমি একটা জিনিষ জানি, যারা আমার স্বাস্থ্য নিয়ে আমাকে কথা শুনায়, আমার পায়ের নখের সমতুল্য হওয়ার যোগ্যতা আল্লাহ তাদেরকে দেয় নাই, দিবেও না কখনো। ”

আমি জিজ্ঞেস করলাম, এই গ্রুপের কাজগুলো তোমার কাছে নেশার মত হয়ে গিয়েছে তাইনা? কুঞ্জ স্বীকার করলো – “হ্যা আপু, আমি জীবনভর খালি মানুষের টিটকারি শুনে বড় হয়েছি, কারো আদরমাখা ভালোবাসা পাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি কখনোই। যারা আমার কাছে সাহায্য চেয়ে উপকৃত হয়, তারা যখন আমাকে খুশির চোটে কাঁদতে কাঁদতে থ্যাংকইউ বলে, আমি সেইখানেই স্বান্তনা পাই। আমি যদি কোনোদি স্বর্বস্বান্ত হয়ে পড়ি, এই বিশ্বাসটুকু আমার আছে যে আমি কখনো আশ্রয় বিহীন হবো না। জীবনের কঠিন থেকে কঠিনতর সময়ে আমি সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব আমার সাথে সবসময়েই অনুভব করেছি। আমি জানি, আমি সৎ। আমি ভুল কিছু করছি না। এবং সৃষ্টিকর্তা আমাকে নিরাশ করবে না।  আমি হয়তোবা কোনো এক কম্পিটিশন এ হেরে যাবো, কিন্তু আমাকে সারাজীবন সৃষ্টিকর্তা এই ট্রেনিং দিয়েছেন কিভাবে উঠে দাঁড়াতে হয়….. এবং আমি ঊঠে দাঁড়াবোই। আমি যে এখন শারীরিকভাবে কতটা অসুস্থ সেইটা কেউ কল্পনাও করতে পারবে না। কি পরিমানে অসহ্য যন্ত্রনার মধ্যে দিয়ে আমি যাই, এইটা শুনলে সবাই শিউরে উঠবে। তারপরেও আমি আরো জোরেশোরে কাজ করছি, যাতে কেউ বলতে না পারে কুঞ্জ এই অসুস্থতার কাছে হেরে গিয়েছে।”

সিটিজিবার্তা২৪ডটকম/জে:আ/এমকে

 

আপনার মতামত দিন....

এ বিষয়ের অন্যান্য খবর:


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.