এলিট ফোর্সের ১৬ বছর পূর্তি মিজানুর রহমান সোহেল’

বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৫

মিজানুর রহমান সোহেল

Elite-force

সিটিজিবার্তা২৪ডটকম ঃ দেশের সবচেয়ে বড় বেসরকারি নিরাপত্তা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান এলিট সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেড বুধবার ১৬ বছর পূর্তি করেছে। ১৯৯৯ সালের ১১ নভেম্বর এলিট ফোর্স নামের এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শরীফ আজিজ, পিএসসি। তিনি দীর্ঘ কয়েক দশক দেশের চারজন রাষ্ট্রপতির এডিসি এবং একজন রাষ্ট্রপতির বিশেষ সহকারি হিসেবে কাজ করে নিজের যোগ্যতা এবং নৈপুণ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন অনেক আগেই। ২০০১ সালের পর থেকে এলিট ফোর্সের কর্মক্ষেত্র বিস্তৃতি ঘটেছে। ২০১৫ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়মিত সাড়ে ১৬ হাজার মানুষ কাজ করছেন।

১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ আজিজ জানিয়েছেন, আমরা দীর্ঘ ১৬ বছর দেশের নিরাপত্তা সেবা নিয়ে কাজ করছি। এলিট ফোর্সের সাথে লম্বা পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য এলিট ফোর্স পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের সকল গ্রাহক, বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’ এলিট ফোর্সের ১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে অনেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর (অব:) সৈয়দ ইব্রাহিম ফেসবুকে এক বার্তায় বলেছেন, ‘এলিট ফোর্সের ১৬ বছর। দেশের সেবায় দশের সেবায় এলিট ফোর্স। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরীফ আজিজ এবং এলিট ফোর্সকে আমাদের উষ্ণ আন্তরিক শুভেচ্ছা।’

প্রসঙ্গত, ১৯৯৫ সালে শরীফ আজিজ সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার পর পাঁচ বন্ধু মিলে একটি সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠান খোলার চিন্তা করেন। তিনিসহ কর্নেল আযম, কর্নেল রশিদ, ইকবাল শফি, মেজর কামালের উদ্যোগে ইন্টিগ্রেটেড সিকিউরিটি সার্ভিস লিমিটেড বা আইএসএসএল নামের একটি সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠান চালুও করেন। চার বছর সেখানে কাজ করার পর ১৯৯৯ সালের ১১ নভেম্বর শরীফ আজিজ এককভাবে মাত্র ৭ জন গার্ড নিয়ে এলিট ফোর্সের যাত্রা শুরু করেন।

ব্যাংক ও তাদের বুথের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এলিটের গার্ড নেওয়ার ক্ষেত্রে তালিকার প্রথম সাথে রাখছে। বাসাবাড়ি, মার্কেট, শিল্পপতি, গার্মেন্টস, পাওয়ার প্ল্যান্ট, দূতাবাস, সিমেন্ট ও জাহাজ শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ নিরাপত্তার জন্য সকল ক্ষেত্রেই গার্ড নেওয়া হচ্ছে। ২০১৩ সাল থেকে দূতাবাসের জন্যও প্রতিষ্ঠানটি কাজ শুরু করে এবং এখন ১৬টি দূতাবাসে কাজ করছে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমেও এলিট ফোর্স ব্যবসার অগ্রগতি করেছে।

ওয়েবসাইট, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তারা প্রচারণা চালাচ্ছে। ব্যাংক বা বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্যাশ ক্যারি এবং এসব গাড়ি জিপিএস-এর মাধ্যমে নজরদারি করা হচ্ছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ঢাকাসহ সারা দেশে কোন হরতাল, রাস্তা অবরোধ বা দুর্ঘটনা সম্পর্কিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে এলিট ফোর্সের ক্লাইন্টদের কাছে এসএমএস-এর মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। সম্ভব হলে বিকল্প রাস্তাও বলে দেওয়া হচ্ছে। এভাবে প্রতিনিয়ত কাজের পরিধি বাড়িয়ে চলেছে এলিট ফোর্স।

আপনার মতামত দিন....

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.