খাগড়াছড়ি শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদকের আবেগগন স্টেটাস

Monday,23 April 2018

ctgbarta24.com

ফাইল ছবি।

খাগড়াছড়ি শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ন – সাধারন সম্পাদক স্বাধীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর এক আবেগগন স্টেটাস দিয়েছেন। সাবেক এ ছাত্রলীগ নেতা উল্লেখ করেন কেন আজ দলের পরীক্ষিত কর্মীরা হারিয়ে যাচ্ছেন। নিচে তার স্টেটাসটি তুলে ধরা হলঃ

কেন নেতা কর্মীরা হারিয়ে যায়!!!
কেন কর্মীরা অভিমান করে!!!
# আপনি জানেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী????
অনাদর /অবহেলা / অবমূল্যায়নের কারনে দির্ঘদিনের পরীক্ষিত কর্মীরা আজ হারিয়ে যাচ্ছে। ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আমি টেন্ডারবাজী করছিনা – তাই টাকার অভাবে আমার ছোট্ট সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আমার নামে পত্রীকায় বড় বড় হেডিং হয়না কারন আমি চাঁদাবাজ নই। নিত্যদিনে উনুনে হাড়ি চলেনা। অভাব অনটনে সংসার চলেনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
আমার জেলাতে যারা বহুদলীয় নেতা, ক্ষণে ক্ষণে রং বদলায় আজ তারা ভালই আছে। আমার সংসার চলেনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। যারা সব সময় সরকারি দল তারা বেশ ভালো আছে – আমি অবুজ সন্তানের সামান্য চাহিদার কাছে বার বার পরাজিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। বাবা মা’য়ের বড় সন্তান হিসেবে সামান্য দায়ীত্ব পালনে আমি ব্যর্থ – মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ।
# কিন্তু!!!! মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
২০০১ সালের পর আপনার ঘোষিত এমন একটি কর্মসূচি বাদ দেইনি, দলীয় কর্মসূচি / জাতীয় কর্মসূচি সকল আন্দোলন সংগ্রামে আমার কর্মমুখর উপস্থিতি বজায় রেখেছি – মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। খুব যত্নকরে পত্রিকার পাতা / ঐ কর্সূচির স্থির চিত্র আজো রেখে দিয়েছি – হে আমার প্রানপ্রিয় নেত্রী। বি এন পি – জামাত জোট সরকার আমলের প্রতিটি মামলার কপি / হামলার চিহ্ন শরীরে বয়ে চলছি। এখনো ব্যাথা জেগে ওঠে, ঔষধ খাবরের টাকা নেই – মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।।
# মাননীয় নেত্রী
যাদের সাংগঠিক দায়িত্ব দিয়েছেন – নিরিহ কর্মী সমর্থক দের দেখার জন্য – তারা আজ হাইব্রীড / কাউয়া / বহুদলীয় নেতাদের তোশামোদির মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছে। আর আমরা হারিয়ে যাচ্ছি,, অভিমানে কেঁদে কেঁদে বুক ভাসিয়ে যাচ্ছি ।।
## মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি আমার/ আমাদের শেষ ভরসা / ঠিকানা। আমার শূন্য হাতটা একটু ধরুন।
আমি যেন হারিয়ে না যাই।।
জয়বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু – জয়তু বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনা।

আপনার মতামত দিন....

এ বিষয়ের অন্যান্য খবর:


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.