ড. খন্দকার মোশাররফকে সারাদেশে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ

ঢাবি প্রতিবেদক,  সিটিজিবার্তা২৪ডটকম

বৃহস্পতিবার,  ২৪ আগস্ট ২০১৭

ড. খন্দকার মোশাররফকে সারাদেশে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সারাদেশে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন।

ঢাবি ক্যাম্পাস : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকে ‘নিছক দুর্ঘটনা’ উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের দেওয়া বক্তব্যের জন্য ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত সারাদেশে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে ছাত্রলীগ।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ আগস্ট) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহরুল হক মিলনায়তনে আলোচনা সভায় এ ঘোষণা দেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৪২তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে শহীদ সার্জেন্ট জহরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগ।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আসিফ তালুকদারের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার।

সম্মানিত আলোচক ছিলেন হলের প্রাধ্যক্ষ ড. দেলোয়ার হোসেন ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাড. মোল্লা আবু কাউছার। বিশেষ অতিথি ছিলেন ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন, ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স প্রমুখ।

জাকির হোসাইন বলেন, ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে দেওয়া মন্তব্যের জন্য খন্দকার মোশররফকে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত ছাত্রলীগ সারা বাংলাদেশের  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খন্দকার মোশাররফকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলো। সারা দেশের কোথাও তাকে প্রোগ্রাম করতে দেবে না ছাত্রলীগ’।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বঙ্গবন্ধুকে রাজনৈতিকভাবে হত্যা করার দুঃসাহস করা হচ্ছে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সজাগ ও সর্তক থেকে এ ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে’।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘একজনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ হয়নি- এটির মাধ্যমে তারা বোঝাতে চান, দু’জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ হয়েছে। আর অন্যজন হচ্ছেন জিয়াউর রহমান। বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা যাবে না। তারপরও ধৃষ্টতা দেখাচ্ছেন কিছু বেঈমান। এই আগস্ট মাসে কেন এ ধরনের প্রশ্ন আসবে?’

‘বঙ্গবন্ধু আমিত্বকে জাহির করেননি। এটি তিনি নিজে বলেননি, এ দেশের মানুষ বলেছেন- তিনি সব কিছু করেছেন। মানুষ ৬ দফা, ১১ দফার পর ১ দফা চেয়ে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে গেছেন বঙ্গবন্ধুর কাছে। কোনো বিচারপতির কাছে তো যাননি’।

আপনার মতামত দিন....

এ বিষয়ের অন্যান্য খবর:


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image