বাংলাদেশ মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে ঃ লুইস অবিন

Thursday, 23 Nov 2017

Ctgbarta24.com

জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এ পর্যন্ত এক লাখ ৭২ হাজার রোহিঙ্গা পরিবার সনাক্ত করেছে। উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থান করা এসব পরিবারের সদস্য সংখ্যা সাত লাখ ৪৫ হাজার। তাদের মধ্যে ১৫ শতাংশ পরিবার পরিচালনা করছে নারীরা। ওই নারী একা থাকছেন। তারা নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছেন। তাদের নির্দিষ্ট সহায়তা দরকার। ৫ হাজার শিশু রয়েছে যারা পরিবারের নেতৃত্ব দিচ্ছে। তাদের তাদের ভাই-বোনসহ নিকটাত্মীয় শিশুদের দেখাশোনা করছে।

গতকাল রাতে কক্সবাজারের মোটেল প্রবালে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান সংস্থাটির সিনিয়র ইমার্জেন্সি কো-অর্ডিনেটর লুইস অবিন।

তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে উদ্ভুত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে গত তিন মাসে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ যে ভূমিকা রেখেছে তাকে আমরা শ্রদ্ধা জানাই। রোহিঙ্গা ইস্যুটা এখন আন্তর্জাতিক ইস্যু। বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে কোনভাবেই একা নয়। এই সমস্যা বাংলাদেশের একার উদ্বেগের বিষয় নয়। এটি আন্তর্জাতিক উদ্বেগের বিষয়। আমরা আশা করি, আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে অচিরে এ সমস্যার সমাধান হবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে লুইস অবিন বলেন, ‘শরনার্থীরা যেখানে ভাল সুযোগ-সুবিধা পায় সেখানে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখায়। কাজেই সরকারে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে নেওয়ার যে উদ্যোগ গ্রহন করেছে, সেখানে অবশ্যই রোহিঙ্গারা যেতে আগ্রহী হবে। সেক্ষেত্রে তাদের মানবিক সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘গত ২৫ আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত ৬ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছে। গত মাসেই নতুন করে প্রায় ৩০ হাজার রোহিঙ্গা এসেছে। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসারে যখনই এ ধরনের শরনার্থী পরিস্থিতির উদ্ভব হয়, জীবন বাঁচাতে লোকজন এক দেশ ছেড়ে অন্যদেশে পালিয়ে আসে তখন সীমান্ত উন্মুক্ত রাখতে হয়। কোনভাবেই পুশব্যাক করে তাদের জীবন বিপন্ন করা উচিত নয়। বাংলাদেশ এই পরিস্থিতিতে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে।’

আপনার মতামত দিন....

এ বিষয়ের অন্যান্য খবর:


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.