রেড ডেভিলদের নিজেদের মাঠে কবর দিলো ওয়ার্টফোর্ড

সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম

রোববার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬

 

ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হঠাৎ কি হলো? এক শনিবার থেকে আরেক শনিবার। এক সপ্তাহ এর মধ্যে তিনটি ম্যাচ খেলেছে মরিনহোর দল। তিনটিতেই হার! এমন সপ্তাহ কী চেয়েছিলেন হোসে মরিনহো?

watford-vs-manutd

পেনাল্টি থেকে ওয়াটফোর্ডের তৃতীয় গোলের পর হতাশ ইউনাইটেড গোলকিপার ডি গেয়া—ছবি: রয়টার্স।

গত শনিবার ম্যানচেস্টার ডার্বি শুরু দুঃস্বপ্নের সপ্তাহটির। পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হারটি তবুও মেনে নিতে পারছিলেন ইউনাইটেড সমর্থকেরা, বড় দলের কাছে হেরেছে। বৃহস্পতিবার ইউরোপা লিগে ফেইনুর্ডের মাঠে হারটিকেও হয়তো ‘আরে, খেলেছে তো আমাদের দ্বিতীয় সারির দল’ অজুহাতে মেনে নেওয়া যেত।

কিন্তু আজকের হারটি কীভাবে মানবে মরিনহোর দল? রুনি-ইব্রাহিমোভিচ-পগবারা সবাই ছিলেন, তবু ওয়ার্টফোর্ডের মাঠে ৩-১ গোলে হেরে গেছে ইউনাইটেড।

৩৪ মিনিটে প্রথম ধাক্কা খায় ইউনাইটেড। নিজেদের বক্সের একটু বাইরে বল হারিয়ে ফেলেন ফরোয়ার্ড মার্শিয়াল। যদিও সেখানে তাঁকে ফাউল করা হয়েছে কি না, এ নিয়ে জোর দাবি তুলতে পারে ইউনাইটেড। তবে ওয়াটফোর্ডের তাতে কী আসে যায়! বল কেড়ে নিয়েই বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে ক্রস করেন ওয়াটফোর্ড রাইট ব্যাক ডেরিল ইয়ানমাত। সেটি থেকে গোল করেন এই মৌসুমে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এঁতিয়েন কাপু।

তারপরও জয়ের আশা ভালোভাবেই বেঁচে ছিল ইউনাইটেডের। দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক আক্রমণ করেছেন ইব্রা-রুনি-রাশফোর্ডরা। ৬২ মিনিটে ইব্রাহিমোভিচের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়ার পর গোল করে ইউনাইটেডকে সমতায়ও ফেরান রাশফোর্ড। কিন্তু এরপরই চিত্রনাট্য গেল পাল্টে। জয়ের জন্য সর্বাত্মক আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ার মূল্যই শেষ ১২ মিনিটে দিল মরিনহোর দল। প্রতি–আক্রমণে দুটি গোল করে ফেলে ওয়াটফোর্ড।

দুটি গোলেই অবদান ৮২ মিনিটে বদলি নামা হুয়ান জুনিগার। মাঠে নামার সেকেন্ড কয়েক যেতে না যেতেই রবার্তো পেরেইরার ক্রস পেলেন বক্সে, ডেভিড ডি গেয়ার পাশ দিয়ে সেটিকে জালে পাঠিয়ে দিলেন কলম্বিয়ান মিডফিল্ডার।

১২ মিনিট পর আবারও পাদপ্রদীপের আলোয় জুনিগা, যিনি বেশি ‘বিখ্যাত’ ২০১৪ বিশ্বকাপে নেইমারকে সেই জঘন্য আঘাত দেওয়ার কারণে। এবার গোল করেননি, তবে পেনাল্টি আদায় করে দিয়েছেন ওয়াটফোর্ডকে। সেটি থেকে গোল করেন ‘হর্নেট’ অধিনায়ক ট্রয় ডিনি।

আপনার মতামত দিন....

এ বিষয়ের অন্যান্য খবর:


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.