সাংস্কৃতিক আন্দোলন থাকলে জঙ্গিবাদ মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না

সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম

শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬

dc-ctg20160909

চট্টগ্রাম: সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে বাঁচিয়ে রাখতে পারলে জঙ্গিবাদ মৌলবাদ মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) শিল্পকলা একাডেমির অনিরুদ্ধ মুক্ত মঞ্চে চট্টগ্রামের বিশিষ্ট পাঁচ গুণীজনকে ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা – ২০১৫’ প্রদান অনুষ্ঠানে এ অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে শিল্প ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চট্টগ্রামের পাঁচ গুণিজনকে ‘জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা-২০১৫’ প্রদান করা হয়। সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন- নৃত্যকলায় শারমিন হোসেন, কণ্ঠসঙ্গীতে শীলা মোমেন, কবিতা ও শিশুসাহিত্যে রাশেদ রউফ, নাট্যকলায় শিশির দত্ত ও চারুকলায় ঢালী আল মামুন।

জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য জেসমিন সুলতানা পারুর সভাপতিত্বে ও আবৃত্তিশিল্পী ফারুক তাহেরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি আর স্বাধিকার আন্দোলনে চট্টগ্রামের বীর সন্তানদের অবদান রয়েছে। অনেক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব চট্টগ্রামে জন্ম নিয়ে পরে আলো ছড়িয়েছেন দেশে ও দেশের বাইরে। তাই চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে চেষ্টা করেছি সংস্কৃতিকর্মীদের পাশে থাকতে। আগামীতেও উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিকাশে চেষ্টা করবো সবসময় চট্টগ্রামের পাশে থাকতে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, দেশের সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু জেলায় শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। জেলা শিল্পকলা একাডেমির পুরস্কারপ্রাপ্ত অনেকে জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য। কিন্তু আঞ্চলিকতার কারণে তা পান না।

তিনি মরণোত্তর সম্মাননা প্রদানের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানান।

আবৃত্তিশিল্পী ফারুক তাহেরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিল্পকলা একাডেমির পরিচালনা কমিটির সদস্য সাইফুল আলম বাবু, কালচারাল অফিসার মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন খ্যাতনামা বংশীবাদক ক্যাপ্টেন (অব.) আজিজুল হক, উইমেন চেম্বার চট্টগ্রামের সভাপতি কামরুন মালেক, শিক্ষাবিদ বেলা ইসলাম, নাট্যজন জাহাঙ্গীর কবির, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এ টি এম জাফর উদ্দিন, মৃণাল ভট্টাচার্য, সঞ্জীত আচার্য, কমল সেনগুপ্ত, প্রাক্তন জেলা কালচারাল অফিসার মানসী তালুকদার, ফ্যাশন ডিজাইনার আইভি হাসান, আবৃত্তিশিল্পী আয়েশা হক শিমু প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও চারণকবি ফকির লালন সাঁইয়ের প্রতিকৃতির উদ্বোধন করা হয়। শেষে শিল্পকলার শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

আপনার মতামত দিন....

এ বিষয়ের অন্যান্য খবর:


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.