‘গুলশান হামলার নেপথ্যের মূল হোতা চিহ্নিত’

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিটিজিবার্তা২৪ডটকম

রোববার, ৭ আগস্ট ২০১৬

counter-terrorism-chif-monirul-islam

পুলিশের যুগ্ন কমিশনার ও কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম

গুলশান হামলায় নেপথ্যের মূলে জড়িতদের সনাক্ত করার দাবি করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। হাসনাত করিম ও তাহমিদ হাসিবের রিমান্ডের তৃতীয় দিনও তাদের বিষয়ে বিস্তারিত না জানিয়ে কর্মকর্তারা বলেছেন, অনেক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এসময় হাসনাত করিম ও তাহমিদ হাসিবের কয়েকটি ছবি বিষয়েও কথা বলেন তিনি।

রোববার (৭ আগস্ট) পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, রিমান্ড শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিম ও কানাডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাহমিদ হাসিব খানকে ৮ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয় গত বৃহস্পতিবার।

গত কিছুদিন থেকেই নিখোঁজ থাকার পর এ দু’জনকে বুধবার রাতে গুলশান ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ৫৪ ধারায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। আদালত ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এখন পর্যন্ত গুলশান হামলা মামলায় কাউকে গ্রেফতার দেখায়নি পুলিশ। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, হামলার মূল পরিকল্পনাকারী, সমন্বয়ক, অর্থদাতাসহ জড়িত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

গুলশান হামলার মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরী এবং চাকুরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক দেশের ভেতরেই বলে আভাস দিয়েছেন গোয়েন্দারা।

গত ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ দেশী-বিদেশী ২২ নাগরিক নিহত হন। পরে সেনাবাহিনীর কমান্ডো অভিযানে ৬ জঙ্গি নিহত হয়। অভিযানের পর ওই রেস্টুরেন্ট থেকে ১৩ জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত জিম্মিদের মধ্যে হাসনাত করিম ও তাহমিদের রহস্যজনক আচরণের কারণে তাদের গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

ঘটনার কয়েকদিন পর হাসনাত ও তাহমিদকে ছেড়ে দেওয়ার কথা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হলেও তাদের অবস্থান জানা যাচ্ছিল না। তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তারা বাসায় ফেরেনি।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *