ঘুরপাক খেতে থাকা চসিকের স্কেভেটরটি জোয়ারে উল্টেই গেল

১৯ জুন, রবিবার ২০১৬

Skbetor 02-800x480

উল্টে যাওয়া এই স্কেভেটরটি গত জানুয়ারি মাসে খনন কাজের জন্য আনা হয়েছিল।

চট্টগ্রাম (সিটিজিবার্তা২৪): গত এক মাস ধরে নগরীর খাতুনগঞ্জ পোড়া ভিটা বেইলি ব্রিজের সামনে চরম অবহেলায় ঘুরপাক খেতে থাকা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সবচেয়ে দামি সেই স্কেভেটরটি অবশেষে উল্টেই গেল।

গতকাল শনিবার দুপুর বারটার দিকে জোয়ারের তীব্রতায় উল্টে যায় এমপিভি (উভচর) নামের এই স্কেভেটর। উল্টে যাওয়া স্কেভেটরটি ভেসে গিয়ে আটকে যায় খাতুনগঞ্জ পোড়া ভিটা বেইলি ব্রিজের সাথে। এতে ঝুঁকিতে পড়ে ব্রিজটি।

স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ বর্ষার আগে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খননের জন্য এক মাস আগে স্কেভেটরটি চাক্তাই খালের প্রথম ব্রিজ এলাকায় নিয়ে আসে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

CCC_Skbetor_20160619021125-800x480

তবে চসিকের দায়িত্বহীনতার কারণেই গত এক মাস ধরে খাতুনগঞ্জ পোড়া ভিটা বেইলি ব্রিজ পর্যন্ত মাত্র ৫শ গজের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছিল স্কেভেটরটি। এভাবে টানা মাস ফেলে রাখার কারনে এ অবস্থা হয়েছে বলেও জানান স্থানীয় সংশ্লিষ্টরা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চসিকের সহকারী প্রকৌশলী সুদীপ বসাক বলেন, শনিবার দুপুর বারটার দিকে খাল খননের কাজ করার সময় এমপিভিটি উল্টে যায়। এ সময় চালক লাভলু আহত হন। জোয়ারের তীব্রতায় এটি উল্টে গেছে। এই ধরনের ঘটনা ঘটতেই পারে। গত বছরও এই রকম দুর্ঘটনা হয়েছিল।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্কেভেটরটি চসিকের মালিকানায় হলেও এটা ঠিকাদার ভাড়া নিয়েছে। তাই স্কেভেটরটি দিয়ে তারা খনন না করে বসিয়ে রাখলেও আমাদেরকে ভাড়া দিতে হবে।

Skbetor 01

তবে এ ব্যাপারে স্থানীয়রা বলছেন ভিন্ন কথা। স্থানীয়দের অভিযোগ চসিকের দুই কাউন্সিলরদের দ্বন্দে গত জানুয়ারি থেকে স্কেভেটরটি এভাবে অবেহেলায় পড়ে থাকার ফলে এমনটা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সাবেক ৩৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী জামাল হোসেন বলেন, চাকতাই খালে চসিকের সবচেয়ে দামি স্কেভেটর চরম অবহেলার শিকার হয়েছে। স্কেভেটর উল্টে গিয়ে চাক্তাই খাতুনগঞ্জের বেইলি ব্রিজটিও ঝুঁকিতে পড়ে।

তিনি বলেন, এই স্কেভেটরটি গত জানুয়ারি মাসে খনন কাজের জন্য আনা হয়েছিল। ওই সময় দুই কাউন্সিলরের দ্বন্দ্বে খাল খনন বন্ধ হয়ে যায়। পরে দীর্ঘ দেড় মাস রাজা খালে পড়ে ছিল স্কেভেটরটি। আরো দুই মাস পর চাকতাই খাল খনন করতে আনা হয় এটি। সর্বশেষ এখানে উল্টে গেল।

এ ব্যাপারে জানতে ৩৫ নং বক্সিরহাট ওয়ার্ডের কমিশনার হাজী নুরুল হকের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত দিন....

এ বিষয়ের অন্যান্য খবর:


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.