বুধবার,২৬ অক্টোবর ২০১৬
চট্টগ্রাম: গতকাল ডিউটি ছিলো খুলশী রেল গেইটে দুপুর ২ টা থেকে।ডিউটিতে আসার পর পর ই এক মহিলা এসেবল্লো স্যার বড় নালার পশে এক লোক পরে আছে মনে হয় মরা, তারাতারি থানার গাড়ির জন্য বল্লাম আর আমি ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি লোকটাকে শত শত মানুষ দাড়িয়ে দেখছে একজন মানুষ কাছে গিয়ে দেখছে না আসলেই কি মরে গেছে না কোন কারনে অজ্ঞান হয়ে পরে আছে।
লোকজনকে যতটা সম্ভব সরিয়ে কাছে গেলাম পোষাক দেখে মনে হলো সহজ সরল গ্রামের লোক কোন কারনে শহরে এসে বিপদে পরেছে। না মারা যায়নি শ্বাস আছে মুখদিয়ে লালা পরছে ,কোনমতে মানুষের সহায়তায় রাস্তায় নিয়ে আসলাম যেখানে পরেছিলো সেইখান থেকে।
মাথায় অনেকক্ষন পানি দেওয়ার পর, তেতুলের টক খাওয়ানোর পর দেখি একটু চোখ মেলেছে,কিন্তু কথা বলতে পারছেনা, প্রায় ঘন্টাখানেক পর দেখি তার জ্ঞান ফিরে আসছে।
কিন্তু কাঁপছে খুব বল্লো খিদা লেগেছে তারাতারি খাওয়ানোর ব্যাবস্থা করলাম পেট ভরে খাওয়ার পর বল্লো, সে গতকাল গ্রামের বাড়ি কুয়াকাটা থেকে কক্সবাজার যাচ্ছিল কিন্তু কোন একসময় অলংকার হতে বহদ্দারহাট টার্মিনাল সিএনজি তে সে কেমন যেন একটা গন্ধ অনুভব করলো তারপর সে আর কিছুই বলতে পারবে না।
পকেটে টাকা ছিলো ১৭০০০ দেশ থেকে কক্সবাজার থাকা আত্মীয়র জন্য কিছু জিনিস আনছে তার মাঝে দুইটি রাজ হাঁসও ছিলো।
যাইহোক পরে খুলশী থানার এস আই হেলাল ভাই ও সংগীয় ফোর্স সহ তাকে আবার তার গ্রামের বাড়িতে ফেরত পাঠালাম আর কিছু লোকজন কয়টা টাকা দিলো যা তার পকেটে দিয়ে দিলাম, নাম সাইদুর রহমান, কুয়াকাটা।
যাইহোক যারা একা চলাচল করেন তারা খুব সাবধানে দেখেশুনে সিএনজি তে উঠবেন।
লেখক : সার্জেনট শিপন





