খুলশীতে ইডিইউ’র দৃষ্টিনন্দন স্থায়ী ক্যাম্পাস
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম ||
প্রকাশিত : ২ ডিসেম্বর, বুধবার, ২০১৫ ২১:৫৪ ঘন্টা:
সম্পাদিত : ৩ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার, ২০১৫ ৭:২৮ ঘন্টা:
নিজস্ব প্রতিবেদক : ক্যাম্পাসের চারপাশে ঘন সবুজ পাহাড়। মাঝখানে বিস্তৃত মাঠ। সেই মাঠের বিশাল জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের দল। তাদের কেউবা আবার আড্ডায় ব্যস্তা। কেউ মেতেছেন তারুণ্যে।
এই দৃশ্য দেখে একটু সামনে এগিয়ে ভেতরে ঢুকলে মনে হবে কোন জ্ঞানের রাজ্যে প্রবেশ করেছেন আপনি। সুনসান নিরবতা সেখানে। সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতেই প্রবেশ করবেন বইয়ের দুনিয়ায়। লাইব্রেরিতে বসে ডুবে আছেন একদল গবেষক। দুই একজন খুঁজে বেড়াচ্ছেন পছন্দের কোন বই।
চট্টগ্রামের জনপ্রিয় বিদ্যাপীঠ ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির (ইডিইউর) নির্মিতব্য স্থায়ী ক্যাম্পাসে দেখা যাবে এমনি দৃশ্য। নগরীর খুলশী পাহাড়ের পাদদেশে নিজস্ব জমিতে তৈরি হচ্ছে ইডিইউর দৃষ্টি নন্দন স্থায়ী ক্যাম্পাস।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৫ থেকে ৮ জাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নের জন্য বিশাল ধারণক্ষমতা সম্পন্ন একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। থাকছে ৫০ থেকে ৬০ হাজার বইয়ের বিশাল গ্রন্থাগার। বর্তমান প্রযুক্তির যুগে কম্পিউটার ল্যাবকে সমৃদ্ধ করার বিষয়টি মাথায় রেখে গড়ে তোলা হয়েছে অত্যাধুনিক ১১টি ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবও। ব্যবহারিক ১০০টি কক্ষে থাকবে সার্বক্ষণিক আলো বাতাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ।
আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী প্রতিটি ক্লাস রুমে থাকবে সর্বোচ্চ ৩৫ জন শিক্ষার্থীর লেকচার শোনার আসন ও ব্যবস্থা। থাকবে পৃথক শ্রেণীকক্ষও। পড়ালেখার ফাঁকে ফাঁকে গ্রুপ স্টাডি ও বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য তৈরি করা হচ্ছে কমন রুম, মেয়েদের জন্য আলাদা প্রার্থনাগার, টিভি কক্ষ, ইনডোর গেমস ফ্যাসিলিটিসহ নানান কক্ষ।
আলাদাভাবে দুটি বড় পরীক্ষার হল তৈরি করা হয়েছে। যেখানে এডমিশন টেস্ট বা ভর্তি পরীক্ষা, নিয়মিত ক্লাস টেস্ট ছাড়াও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর মেধা যাচাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।
লাইব্রেরি ও ক্যাফেটোরিয়া তৈরি করা হচ্ছে দ্বিতল আকারে। পাশাপাশি এখানে খোলা আকাশের নিচে একটি বড় এ্যামফি থিয়েটারও স্থাপন করা হয়েছে। যেটি পুরো চট্টগ্রামেই প্রথম ও বিরল।স্থায়ী ক্যাম্পাসের কার্যক্রম শুরু হলে উচ্চ শিক্ষায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের কাছে নতুনভাবে আস্থার জায়গা তৈরি হবে বলে জানান ইডিইউর চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আবদুল্লাহ আল নোমান।
তিনি বলেন, আগামী ২০১৬ সালের শুরুতেই বিদ্যাপীঠটি ছাত্র-ছাত্রীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠবে বলে আমরা আশা করছি। বর্তমানে এর নির্মাণ কাজও প্রায় শেষের দিকে।
তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে দেশের হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা স্বস্তিতে নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভালো মানের একটি প্রতিষ্ঠান খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের গুণগত শিক্ষায় এগিয়ে নিতে ইডিইউ তৈরি করছে এমন দৃষ্টিনন্দন স্থায়ী ক্যাম্পাস।





