Sunday, 25 March 2018
ctgbarta24.com
সমাজ ছাড়া কেউ বসবাস করতে পারে না। এমন কি আপনিও। যারা সমাজের বাইরে বসবাস করে, তাদের জীবন কতটুকু সভ্য হতে পারে তা সবার জানা। তাই সভ্য জীবন ধারণের জন্য সমাজের কোনো বিকল্প নেই। আর সমাজ নিয়ে বাস করতে হলে আপনাকে অবশ্যই পরিবারের বাইরের মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে।মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার নিয়মটা রক্ষা করতে গিয়ে একে অপরের মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্ক তৈরি হয়। আর এই সম্পর্ক যে সব সময় মধুর হয়, তা নয়। আপনার পরিচিত বা আশপাশের কাছের মানুষ সব সময় আপনার মঙ্গল চাইতে নাও পারে। কারণ মানুষের মন সবসময় একরকমের আচরণ করে না, বড় বৈচিত্র্য মানব জাতির মন। যে আজ আপনার ভালো চাচ্ছে, কাল সেই আ পনাকে হিংসা করছে। একদমই আপনার সাফল্য সহ্য হচ্ছে তার!
মজার বিষয় হচ্ছে, যে ব্যক্তি আপনাকে প্রকাশ্যে হিংসা করছে, তাকে হয়তো আপনি চিনতে পারছেন। কিন্তু ভেবে দেখুন তো, কেউ কি আপনার অগোচরে আপনার ক্ষতি চাচ্ছে কিংবা হিংসা করছে? আর যদি কেউ আপনার অগোচরে এমন আচরণ করেই থাকে তাহলে তো আপনার জানার কথা নয়। তাই না?
এজন্য আজ পাঠকদের জন্য থাকছে, গোপন ঈর্ষাতুরদের সম্পর্কে জানার কিছু সাধারণ লক্ষণ।
এক ঝলকে দেখে নেওয়া যেতে পারে এই লক্ষণগুলি—
*লক্ষ রাখুন, কেউ আপনাকে অনুকরণ করছেন কি না। গোপনে ঈর্ষান্বিত ব্যক্তিদের এটা প্রাথমিক লক্ষণ।
*খেয়াল রাখবেন, কেউ অযথা আপনার স্তুতি করছেন কিনা। বেশি খোশামুদে মানুষের মনে কিন্তু গোপন ঈর্ষার বাসা।
*কেউ যদি আপনার কোনও সাফল্যকে ছোট করে দেখেন, জানবেন, তিনি আপনার প্রতি ঈর্ষাকাতর।
*সর্বদা আপনার খুঁত ধরেন, এমন লোক থেকে সাবধান! এঁরা কিন্তু আপনার প্রতি গোপনে হিংসের জাল বুনে চলেছেন।
*খেয়াল রাখবেন, আপনার পিছনে কেউ কোনও গুজব রটাচ্ছেন কি না। যদি রটে, তা হলে সেই গুজবের নেপথ্যের মানুষকে খুঁজে বের করুন। জানবেন, তিনি কোনও গোপন ঈর্ষা থেকেই এই কাণ্ড ঘটাচ্ছেন।
*কেউ কি আপনাকে অযাচিত উপদেশ দিচ্ছেন? এমন ক্ষেত্রে কিন্তু সেই ব্যক্তির গোপন ঈর্ষাকারী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।




