ন্যাশনাল ইমার্জেন্সী সার্ভিস -৯৯৯ অক্টোবর ২০১৬ থেকে অক্টোবর ২০১৭ পযন্ত আইসিটি ডিভিশন পরীক্ষা মুলক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে। তারপর স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ পুলিশ অক্টোবর ২০১৭ তে বুঝে নেয়ার পর ১২ ডিসেম্বর ২০১৭ থেকে কার্যক্রম শুরু করে পুলিশ এর সেন্ট্রাল কমান্ড এন্ড কন্ট্রোল সেন্টার থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে এর কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি, দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে যে কোন নাগরিককে এই সুবিধা গ্রহনের উপযোগী ভাবে চালু হয়েছে৷ যেকোন জরুরি পুলিশ, এম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস সহ যেকোন জরুরি সাইবার ক্রাইম সেবায় ৯৯৯ এ কল করতে পারবেন এবং সেবা পাবেন সবচেয়ে কম সময়ে।
আমাদের দেশ একটি ইমার্জেন্সী সার্ভিস চালু করেছে আর সেই রেস্পন্স সেন্টার থেকে ২৪/৭ জনগন জরুরি পুলিশ, এম্বুলেন্স এবং ফায়ার সার্ভিসের সেবা পাচ্ছে সেটাই অনেকের কাছে স্বপ্নের মত।
জনগন আসলেই কি সেবা পাচ্ছে বা এর সুফল ভোগ করা শুরু করেছে? বিগত ১ বছরে প্রায় ৭৩ লক্ষ লোক কল করেছে যার মধ্যে প্রায় ১৩ লক্ষ লোক বিভিন্ন ধরণের সেবা পেয়েছে। প্রায় ৪৫ হাজার লোক জরুরি মহুর্তে সেবা গ্রহণ করেছে ৯৯৯ এ কল করে।যেমনঃ বাল্য বিয়ে, শিশু নির্যাতন, মানব(নারী) পাচার,ধর্ষক গ্রেফতার, অগ্নী/নৌ দূর্ঘটনা, ডাকাতি প্রতিরোধ সহ আরও অনেক পুলিশ, ফায়ার, এম্বুলেন্স ও সাইবার ক্রাইম সংক্রান্ত জরুরী সেবা।
৯৯৯ থেকে জরুরি সেবা গ্রহণ করেছে এমন কিছু সেবা গ্রহীতাদের সাথে কথা বলেছে সিটিজি নিউজ ২৪ ডট কম। কথা বলে জানা যায়, ৯৯৯ এ সেবার জন্য কল করে কাঙ্খিত সেবা পায়নি কিংবা প্রাপ্ত সেবায় সন্তুস্ট নয় এমন সেবাগ্রহীতার সংখ্যাটা অত্যন্ত নগন্য।
এখনো পযন্ত দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের সকল জগনের কাছে ৯৯৯ এর সেবা গ্রহণের হার খুবই কম। রাজধানী কিংবা শহর কেন্দ্রিক লোকজনের সেবা গ্রহণ করার সংখ্যাটাই বেশি। ৯৯৯ আগত কলের ৬৭% কলই ছিল রাজধানী ঢাকার।
সেবার পরিসর বৃদ্ধি ও প্রান্তিক পযায়ের জনগনের কাছে এই সেবা সম্পর্কে জানানো অত্যান্ত জরুরী। সেই সাথে মানুষজনকে সচেতনতার বিষয়টি মাথায় রেখে সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করার এই পযায়ে সেবা প্রদানের সাথে বর্তমান বিষয়গুলোকেও গুরুত্ব দিতে হবে।
এটি বাংলাদেশের জাতীয় জরুরি সেবা। ৯৯৯ এ কল করার মধ্যেমে বাংলাদেশে অবস্থানকারী যে কোন নাগরিক জরুরি পুলিশ, এম্বুলেন্স এবং ফায়ার সার্ভিসের সেবা পাবেন সবচেয়ে কম সময়ে। এবং nescybercell@gmail.com এ জেনারেল ডায়েরি / জিডি তে সব তথ্য উল্লেখ করে জিডির কপি সহ মেইল করলে সাইবার ক্রাইম কেইস এর সমাধান ও পাওয়া যাবে।
যে কোন বিপদে ও জরুরি প্রয়োজনে মনে রাখুন একটি নাম্বার – ৯৯৯।
লেখক পরিচিত – জেনিফার আলম, সোশ্যাল এক্টিভিস্ট, প্রেসিডেন্ট – ক্রাফ।






