রোববার,০৬ মার্চ,২০১৬
আতিক মাসুদ,সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
ঢাকাঃ আর কয়েক ঘন্টার অপেক্ষা ,এশিয়ার শ্রেষ্টত্বের লড়ায়ে নামবে বিশ্ব ক্রিকেটের নতুন পরাশক্তি বাংলাদেশ যাদের প্রতিপক্ষ আসরের ৫ বারের শিরোপা অর্জন কারী ভারত। ২০১২ সালের ২ রানের আক্ষেপ ঘোচানোর একটি মোক্ষম সুযোগ টাইগারদের সামনে,সুযোগ প্রথমবারের মত এশিয়ার শ্রেষ্টত্ব অর্জনের।
রোববার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে শিরোপা উচিঁয়ে ধরার জন্য মাঠে নামবে মাশরাফির বাংলাদেশ এবং ধোনীর ভারত।
এই প্রথমবার এশিয়া কাপ আয়োজিত হচ্ছে টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে । ওয়ানডেতে পরাশক্তি হয়ে উঠলেও এই ফরম্যাটে বরাবরই একটু পিছিয়ে বাংলাদেশ। তাই এশিয়া কাপে সাফল্য নিয়ে সঙ্কা ছিল সবার মনে খোদ দলের সদস্যদের মধ্যেও । শুরুটা ও হয়েছিল এই ভারতের বিপক্ষে হারের মাধ্যমে। তবে ঘুরে ধারানোর গল্প এর পর থেকেই । বাছাই পর্ব পেরিয়ে আসা আরব আমিরাতের বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু। এরপর টাইগারদের কাছে একে একে পরাস্ত হতে হয়েছে শ্রীলংকা ও পাকিস্তানকে। এই তিন দলকে হারিয়ে ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয়বারের মত আসরের ফাইনালে য্থান করে নেই হাতুরাসিংহের শিষ্যরা।
অন্যদিকে ভারত আসর শুরু করে ফেভারিট হিসেবে। অস্ট্রেলিয়ার ঘরের মাঠে তাদেরকে হোয়াট ওয়াশ করা এবং নিজেদের মাটিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে সিরিজ জয় সেটিই প্রমাণ করে। গ্রুপ পর্বের সবকটি ম্যাচ জিতে ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া ভারত তাই শিরোপা জয়ের পথে অনেকটায় এগিয়ে।
বাংলাদেশের জন্য বড় শক্তি হয়ে দাড়িয়েছে দলের বোলিং আক্রমন। মোস্তাফিজ,আল-আমিন,তাসকিন,মাশরাফিকে নিয়ে সাজানো পেস বোলিং লাইনাপের সাথে সাকিম-মাহমুদুল্লার স্পিনে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনপে রীতিমত কাপনের সৃষ্টি হচ্ছে। সাইড স্ট্রেনের কারনে দলের অপরিহার্য মোস্তাফিজ কে হারালেও এই বোলিং আক্রমনের ধার কমেনি এতটুকু,যার প্রমাণ সর্বশেষ পাকিস্তানের সাথে ম্যাচটি।
তবে দলের ব্যাটিং সামান্য হলেও ভাবাচ্ছে ম্যানেজমেন্টকে। দলের টপ অর্ডার রান পাচ্ছে না সেই সাথে দলের অপরিহার্য সকিব ও মুশফিকের অফ-ফর্ম চিন্তার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। তবে তামিমের দলে ফেরা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে সৌম্যের রানে ফেরা কিছুটা হলেও চিন্তা কমিয়েছে ,এখন সাকিব ও মুশফিক রানে ফিরলেই হয়।
অপরদিকে ভারতের ব্যাটিং-বোলিং দুটো ডিপার্মেন্টি রয়েছে ফর্মের তুঙ্গে, প্রথম তিন ম্যাচে শিখর ধাওয়ান রান না পেলেও আরব আমিরাতের সাথে ম্যাচে রান পেয়েছেন এই ওপেনারও।
ম্যাচ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ৃটাইগার দলপতি বলেন,অন্য সব ম্যাচের মত এটিও আরেকটি ম্যাচ মাত্র। আমরা খেলীটি উপোভোগ করতে চাই । ফাইনালটি জিতলে অসম্ভব খুশি হব ,হারলে কিছুই নয়।
অপরদিকে ভারতীয় কোচ রবি শাস্ত্রী বলেন,বাংলাদেশ খুবিই ভালো ক্রিকেট খেলছে এবং খুব শক্তিশালী প্রতীপক্ষ। তবে আমরা নির্ভার। অন্য ম্যাচ গুলোর মতই আমরা এটাকে নিচ্ছি,অতিরিক্ত কিছুই নয়।
বাংলাদেশের একাদশে পরিবর্তন আসতে পারে দুটি। উইকেটে ঘাস থাকায় চীর পেসার নিয়ে মাঠে নামতে পরে টাইগাররা। সেক্ষেত্রে আরাফাত সানি’কে জায়গা ছাড়তে হবে আবু হায়দার রনির জন্য। মিঠুনও বাদ পড়তে যাচ্ছেন এই মহারণে,দলে আসতে পারেন নাসির হোসেন। এদুজনই আসরে এ পর্যন্ত একটি ম্যাচও খেলেননি।
আরবআমিরাতের বিপক্ষে দলের সিনিয়রদের বিশ্রামে রাখলেও ফাইনালে সেরা একাদশ নিয়ে মাঠে নামবে ভারত। সেক্ষেত্রে বাদ পরতে পারেন হরবজন,নেগি ও ভুবেনশ্বর কুমার।






