শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫
সিটিজিবার্তা ২৪ ডটকম
চিকিৎসা ডেস্ক ঃ পশ্চাৎপদ মানসিকতার কারণে সন্তানের বয়ঃসন্ধিকালীন পরিবর্তনকে এখনো অধিকাংশ পরিবার লজ্জার মনে করেন। তাই শরীরের এই স্বাভাবিক পরিবর্তন সম্পর্কে আগে থেকে ধারণা না থাকায় অনেকেই সহজে তা মেনে নিতে পারেন না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পারিপার্শ্বিক পরিবেশের কারণে বয়ঃসন্ধিকালে কিশোর-কিশোরীরা দ্বিধা-দ্বন্দ্ব আর হতাশায় ভোগেন। যা তাদের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করে। এ থেকে উত্তরণে বাবা- মা আর সন্তানদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার বিকল্প নেই।
১৪ বছরের কিশোরী স্বর্ণা ও বন্যা। জমজ এই দুই বোনের আগের মত ছাদে গিয়ে আকাশ দেখা কিংবা পাড়ার অলিতে-গলিতে সাইকেল চালানো হয় না। কৈশোরে পা রাখার পর পরিবারের নানা বিধি-নিষেধে দুই বোনের খুনসুটির কিংবা মন খারাপের অধিকাংশ সময়ই কাটে বাসার এই বারান্দাটিতে।
এই পরিবারের মত অধিকাংশ বাবা-মা’ই সন্তানদের কৈশোরের এই স্বাভাবিক শারীরিক পরিবর্তনকে এখনো লজ্জার মনে করেন। তাই আগে থেকে সন্তানদের এ বিষয়ে ধারণা দিতে সংকোচবোধ করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা অহিদ বলেন, ‘পরিবারগুলোর এই সংকোচবোধের কারণে অনেক সময় কিশোর-কিশোরীরা ভুল সঙ্গদোষে বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়েন। যা তাদের ভবিষ্যৎ জীবনকে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলে দেয়।’
সমাজ বিজ্ঞানীর মতে, এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সমাজের পশ্চাৎপদ দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটাতে হবে। তবেই সুস্থ, স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠবে কৈশোরে পা রাখা প্রত্যেকে।
নির্ভরযোগ্য সংবাদপোর্টাল Fast Online news