খেলা ডেস্ক, সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮
ব্রাজিলের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে প্রতিপক্ষ নেইমারকে আটকানোর পরিকল্পনা করে থাকে। রোববার সেটাই করেছে সুইজারল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত দলটির মিডফিল্ডার ও ডিফেন্ডারদের সেই কৌশলের কাছেই স্তব্ধ হয়েছেন নেইমার।
নেইমারের পায় বল গেলেই ফাউল। এমন পরিকল্পনাতেই মাঠে নেমেছিল সুইজারল্যান্ড। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১০বার ফাউলের শিকার হন তিনি। যা কিনা বিশ্বকাপের কোন ম্যাচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার আলান শিয়ারারকে গুনে গুনে ১১ বার ফাউল করেছিল আফ্রিকার দল তিউনিসিয়া। কেবল ফাউলের শিকার ব্রাজিলিয়ানদের কথা হিসাবে নিলে ১৯৬৬ বিশ্বকাপের পর এত বেশি ফাউলের শিকার হননি কোনো ব্রাজিলীয় ফুটবলার। ব্যথা নিয়ে মাঠ ছাড়া নেইমার কোস্টারিকার বিপক্ষে নাও খেলতে পারেন।
প্রথম ম্যাচ সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করায় ক্ষুব্ধ ব্রাজিলিয়ান কোচ তিতে। তবে এখনই সবশেষ হয়ে যায়নি বলে শিষ্যদের সাহস দিচ্ছেন তিনি, ‘এই ফলে মোটেও খুশি নই আমি। আমরা ২০টা সুযোগ তৈরি করেও ওদের গোলকিপারের তেমন পরীক্ষা নিতে পারিনি। তবে এখনই হতাশায় ভেঙ্গে পড়ার কিছু নেই। বিশ্বকাপটা শুরু হল মাত্র।’
প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে কয়েকদিন আগেই ফিরেছিলেন। তবে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নেইমারকে ঠিক খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ জন্য মূলত দায়ী সুইজারল্যান্ড মিডফিল্ডার ও ডিফেন্ডার। কেননা তারা নেইমারকে আঁটকাতে দশ-দশবার ফাউল করেছেন। শেষ পর্যন্ত সুইসরা এ কৌশলেই ম্যাচটি ১-১ গোলের সমতায় শেষ করে। তাতে বেশ হতাশ ব্রাজিল।
রাশিয়া বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে রোববার নেইমারকে কড়া পাহারায় রেখেছিলেন সুইস মিডফিল্ডার ভ্যালন বেহরামি। যতগুলো বল বাতাসে ভেসে এসেছে, বেহরামি তার কোনটাই নেইমারকে আয়ত্তে নিতে দেননি।
গ্রুপ পর্বে এখনও দুটি ম্যাচ বাকি ব্রাজিলের। সেখানে ভাল করলেই শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেবে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। তার আগে অবশ্য নেইমারকে নিয়ে সতর্ক হতেই হবে কোচ তিতেকে।





