Monday,12 March 2018
ctgbarta24.com
প্রায় চার বছর পর বহুল আলোচিত ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি একরামুল হক একরাম হত্যা মামলার রায় আগামীকাল মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে।
রায়কে কেন্দ্র করে ফেনী জেলাব্যাপী চলছে আলোচনার ঝড় । কী হবে রায়- এ নিয়ে একদিকে বাদীর পরিবারে যেমন উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে, অন্যদিকে সুষ্ঠু বিচার প্রত্যাশা করছে ফেনীর সচেতন মহল।
আগামীকাল মঙ্গলবার আলোচিত এ ঘটনার রায় প্রদান করবেন ফেনী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আমিনুল হক।
এর আগে প্রায় চার বছর ধরে মামলার সাক্ষ্য ও যুক্তি-তর্ক শেষে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি চার্জশিটভুক্ত ৫৬ আসামির মধ্যে জামিনে থাকা ২৪ আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। চার্জশিটভুক্ত অপর ১৭ আসামি পলাতক রয়েছে। বর্তমানে জেলে রয়েছে ৩৮ আসামি।
এছাড়া জামিনে থাকা মো. সোহেল ওরফে রুটি সোহেল নামের এক আসামি ইতোমধ্যে র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। এ মামলার প্রধান আসামি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী মিনার বিএনপি নেতা হলেও অপর সব আসামি আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২০ মে ফেনী বিলাসী সিনেমা হলের সামনে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি একরামুল হক একরামকে গুলি করে, কুপিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা করে। হত্যার দিন রাতেই নিহত একরামের ভাই জসিম উদ্দীন বাদী হয়ে দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে একই বছরের ২৮ আগস্ট পুলিশ ৫৬ জনকে আসামি করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলা তদন্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ। প্রায় চার বছর ধরে যথারীতি সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে ১৩ মার্চ বিচারক চূড়ান্ত রায়ের দিন ধার্য করেন। এ সময় আদালত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশের পাশাপাশি জামিনে থাকা ২১ আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
নিহত একরামের বড় ভাই মামলার বাদী জসিম উদ্দীন সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, আমি আমার ভাইয়ের নির্মম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রত্যাশা করছি।
জেলা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হাফেজ আহাম্মদ জানান, এ বছরের ২৮ জানুয়ারি থেকে একরাম হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হয়। সরকারি ও আসামি পক্ষের টানা যুক্তিতর্ক শেষে ১৩ ফেব্রুয়ারি সব আসামির জামিন বাতিল করে বিচারক ১৩ মার্চ মামলার চূড়ান্ত রায় প্রদানের তারিখ ঘোষণা করেন।
সূত্র ঃ রাইজিংবিডি




