রবিবার,২২ নভেম্বর ২০১৫
সিটিজিবার্তা ২৪ ডটকম
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চসিকের পর ‘সর্বহারা পার্টি’র নামে এবার ব্যাংকারদের মোবাইল ফোনে চাঁদা দাবি এবং না দিলে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার নগরীর পাঁচলাইশসহ বিভিন্ন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ‘নিরাপত্তাহীন’ ব্যাংকাররা।
এর আগে ১০ নভেম্বর একই ধরনের অভিযোগে কোতোয়ালিসহ বিভিন্ন থানায় জিডি করেছিলেন চসিকের ট্যাক্সুয়েশন অফিসার (টিও) এবং ডেপুটি ট্যাক্সুয়েশন অফিসাররা (ডিটিও)।তাদের প্রত্যেকের কাছে ৫-১০ লাখ টাকা করে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।
পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহি উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘জনতা ব্যাংকের মোহাম্মদপুর শাখার ব্যবস্থাপক অরুণ কান্তি শীল একটি জিডি (নম্বর ১৩৭৪) করেছেন। আমরা বিষয়টি তদন্ত এবং মোবাইল ট্র্যাকিং করে অপরাধীর অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করছি।’
জিডির সূত্রে জানতে চাইলে অরুণ কান্তি শীল বলেন, ‘শনিবার দুপুর দুইটায় তার মোবাইলে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি টেলিটক কোম্পানির একটি মোবাইল ফোন থেকে কল করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেন এবং টাকা দাবি করে। ৪০ মিনিট পর পুনরায় ফোন করে একই ব্যক্তি জানায়, টাকা না দিলে আমাকে মেরে ফেলা হবে। একই সঙ্গে অফিস আক্রমণ ও পরিবার পরিজনের ক্ষতি করা হবে। টাকা পাঠানোর জন্য ওই ব্যক্তি একটি বিকাশ নম্বরও দেয়। সর্বশেষ ওই ব্যক্তি একটি মোবাইল নাম্বার থেকে আমার অফিসের ল্যান্ডফোনে ফোন করলে আমার গার্ড রিসিভ করেন। এ সময় ওই ব্যক্তি আমার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চায়। তাই নিরাপত্তাহীনতায় আছি।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জনতা ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের (জোন সি) ডিজিএম দিদারুল আলম চৌধুরী, সাধারণ বীমা শাখার এজিএম আবদুর রশীদ, কালুরঘাট, মুরাদপুর, ওয়াসা, কাজীর দেউড়ি শাখার ম্যানেজারসহ কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা প্রধানকেও অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিরা হুমকি দিয়েছেন।
জানতে চাইলে দিদারুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘আমার মোবাইলে ফোন করে সর্বহারা পার্টির জন্য বিপ্লব পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি চাঁদা দাবি করেছেন। আমি জনতা ব্যাংকের মোহাম্মদপুর শাখার ম্যানেজারকে থানায় জিডি করতে বলেছি।’
তিনি জানান, হুমকিদাতার কণ্ঠ শুনে মনে হয়েছে বরিশাল বা অন্য কোনো জেলার বাসিন্দা হবেন।



