নিজস্ব প্রতিবেদক, সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬
কক্সবাজার: ঈদের প্রথম দিন কক্সবাজারে পর্যটকদের তেমন আনাগোনা না থাকলেও আজ বুধবার ঈদের দ্বিতীয় দিনে সমুদ্র সৈকতে দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে । টানা ছুটি পাওয়ায় অনেকে এসেছেন পরিবার পরিজন নিয়ে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে আইন শৃঙ্লাবাহিনী।
ঈদ এলেই কক্সবাজারে নামে পর্যটকের ঢল। সাগর সৈকতের টানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসেন তারা।
টানা ছুটিতে পর্যটকরা মেতেছেন নির্মল বাতাস আর সমুদ্রের দিগন্তজোড়া সৌন্দর্য্য উপভোগে। সৈকতের লাবণী, কলাতলী, শৈবাল, সুগন্ধা, ইনানিসহ বিভিন্ন পয়েন্টে পর্যটকের ভিড় চোখে পড়ার মতো। অনেকেই এসেছেন পরিবার-পরিজন সাথে নিয়ে।
পর্যটন ব্যবসায়ীদের আশা আরও বাড়বে পর্যটকের আনাগোনা। হোটেল-মোটেলগুলোতে এরই মধ্যে বুকিংও দিয়েছেন অনেকে।
হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এবার ভিন্ন আঙ্গিকে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে পর্যটন ব্যবসায়ীরা। সরকারি ছুটি বেশি হওয়ায় বাড়তি প্রস্তুতি নিয়েছেন সকলেই। এই দীর্ঘ ছুটিতে যে কেউ কক্সবাজারে একবার আসার চেষ্টা করবেন এমনটি মনে হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে এই ছুটিতে আমাদের ব্যবসাও ভালো হবে।
ভ্রমণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। বাতিল করা হয়েছে কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের সব সদস্যের ছুটি।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ এএসপি রায়হান কাজেমী বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমরা সজাগ রয়েছি। এবারের ঈদে আমরা লাইফ গার্ডদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করছি, যাতে পানিতে ডুবে কোনও পর্যটকের মৃত্যু না হয়। এছাড়াও আমরা গত ঈদের মতো টেকনাফ ও ইনানীতে ট্যুরিস্ট পুলিশের ক্যাম্প রেখেছি।
হোটেল ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার প্রায় ৫ লাখ পর্যটকের সমাগম হয়।
কক্সবাজারের তারকা মানের হোটেল সী-গালের ফ্রন্ট ডেস্ক ম্যানেজার নুরে আলম জানান, অতীতের বিষয়টি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, প্রতিবছর ঈদের ছুটিসহ নানা ছুটিতে ব্যাপক সংখ্যক পর্যটকের ভিড় হয় কক্সবাজারে। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। ইতোমধ্যে অগ্রীম বুকিংয়ের জন্য ব্যাপক সাড়া পড়েছে।





