Monday,02 April 2018
ctgbarta24.com
চট্রগ্রাম : চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা ও আশপাশ এলাকা ঘিরে ঘাঁটি জমিয়েছে জামায়াত-শিবিরের শীর্ষ নেতাকর্মী ও তাদের পরিচালিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং নামে-বেনামে সংগঠন। অভিজাত এই এলাকা থেকে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে তাদের চট্টগ্রামব্যাপী নানা তৎপরতা। নাশকতা, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থ ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষন করে নগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফারুক ইসলাম যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে দাবি জানিয়েছেন।
নগরের এই ছাত্রলীগ নেতা জানান,” চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী চান্দগাঁও আবাসিক এলাকায় মেস, হোস্টেল, কোচিং সেন্টার, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সমূহ অবৈধ ও নিয়ম বহির্ভূত, যা উচ্ছেদে সিডিএ একাধিকবার উদ্যোগ নিলেও তা আর বাস্তবায়ন হয়নি। এগুলো স্থায়ীভাবে উচ্ছেদ করতে হবে। চান্দগাঁও আবাসিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে সম্পূর্ণ এলাকা সিসি টিভি ফুটেজের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। যা মনিটরিং করবে স্থানীয় থানা ও পুলিশ কমিশনার কার্যালয়। চান্দগাঁও আবাসিক এলাকায় জামায়াত-শিবির নেতাকর্মী ও তাদের পরিচালিত প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন স্থাপনা, নামে-বেনামে সংগঠন ও ছোটবড় সন্ত্রাসীদের তালিকাভুক্ত করে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। তাদের সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড বা নাশকতা বা যেকোনো সন্ত্রাসী কার্যকলাপের তথ্য অনুযায়ী গ্রেপ্তারপূর্বক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যাপক সফল অভিযান চালাতে হবে।”
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সহ-সভাপতি ফারুক ইসলাম আরো বলেন, এই এলাকা ঘিরে জামায়াত-শিবির পরিচালিত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, স্কুল-মাদ্রাসা, কোচিং সেন্টার, হোস্টেল-মেস ও বিভিন্ন নামে-বেনামে সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠন গড়ে তুলেছে, যার পরিমাণ অসংখ্য। পাশাপাশি তৎপর নিষিদ্ধ ঘোষিত হিযবুত তাহরীর কর্মীরাও।
ঘনিয়ে আসছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সরকারবিরোধী তৎপরতা, নাশকতার পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি, অতীতের সব কার্যাদি এখান থেকেই শুরু হতে দেখা গেছে।
চান্দগাঁও এলাকাজুড়ে তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম কখনো ভুলার মত ছিল না। এমনকি চট্টগ্রামের আলোচিত সব হত্যাকান্ড অত্র এলাকায় ঘটিয়েছিল শিবির। ১৯৯৭ সালে চান্দগাঁও আবাসিক এলাকায় ত্রিপল মার্ডার, ২০০০ সালে বহদ্দারহাটে এইট মার্ডার, এসব হত্যাকান্ডে শিবির ক্যাডারদের হাতে শহীদ হন ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতাকর্মী।
উল্লেখিত বিষয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুলো আন্তরিক ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন এই ছাত্রলীগ নেতা।




