ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য আহ্বান

‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়’

কুমিল্লা প্রতিনিধি,  সিটিজি বার্তা২৪ ডটকম

বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০১৬

Comilla-University201608111743

কুবি

সম্প্রতি ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য আহ্বান করেছে। ১৭ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়কের দপ্তরে গিয়ে সাক্ষ্য বা বক্তব্য দেওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক কুণ্ডু গোপীদাস স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ওই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩১ জুলাই রাতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ঘটনার সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে সাক্ষ্য বা বক্তব্য আহ্বান করছে। যাঁরা এ বিষয়ে সাক্ষ্য বা তথ্য দিতে চান, তাঁদের ১৭ থেকে ২৪ আগস্টের মধ্যে (অফিস খোলা থাকা সাপেক্ষে) প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত তদন্ত কমিটির আহ্বায়কের কক্ষে হাজির হতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন প্রক্টর মোহাম্মদ আইনুল হককে এবং ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন মুহম্মদ আহসান উল্যাহ।

কুণ্ডু গোপীদাস বলেন, ‘তদন্তকাজে সহযোগিতা করার জন্য ওই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। আমরা ওই দিনের ঘটনার সময় উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার জন্য ওই নোটিশ জারি করি।’

গত ৩১ জুলাই রাতে শোকের মাস আগস্ট উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে মোমবাতি প্রজ্বালন শেষে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। এতে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ও কাজী নজরুল ইসলাম হলের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহর মাথার বাঁ পাশে গুলি লাগে। ১ আগস্ট ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ ও আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন।

এদিন সকাল সাড়ে আটটায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডাকে। ওই সভায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. সাদেক হোসেন মজুমদার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ১৫০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় ছাত্রলীগের সাতজন নেতাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আপনার মতামত দিন....

এ বিষয়ের অন্যান্য খবর:


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.