শুক্রবার,৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
জেড করিম জিয়া :টেকনাফের হাট বাজারে খুব সহজেই পাওয়া যাচ্ছে দেশী মোরগী। দেশী মোরগীর স্বাদ মেটাতে কেনা মোরগ গুলো আসলে কি দেশী নাকি পাকিস্তানী কক। প্রতারনার শিকার সাইফুল জানান ৩দিন পূর্বে টেকনাফ পৌরসভার আলো শপিং মোড় থেকে ৪ টি মোরগ কিনে বাসায় নিয়ে যায়। রাতে ২ টি জবাই করে খেয়েছি তবে দেশী মোরগীর স্বাদ নিয়ে সন্দেহ হয়। পর দিন স্ত্রী আজিজা বলে মোরগী ২ টি চাল,ভাত, কিছুই খাচ্ছে না, হাটা চলা করে আস্তে আস্তে। আমার মনে হয় মোরগী গুলী দেশী নয়!
কয়েক দিন পর একই স্থানে ২ হাতই দেশী মোরগীতে ভরা সেই বেপারীর সাথে দেখা হলে জানতে চাই আমাকে ২ নং মোরগী কেন দিয়েছ? সহজ উত্তর ঐ গুলী দেশী মোরগী নয় পাকিস্তানী কক। নাম জানতে চাইলে বলে আমার নাম জিয়াউর রহমান ১৩ বৎসর আগে বার্মা থেকে চলে এসেছি, এখন উপজেলা পরিষদের পশ্চিমে পুরাতন পল্লান পাড়া পাহাড়ের ভিতরে ঘর সংসার নিয়ে থাকি, বহু বৎসর ধরে মোরগী ব্যবসা করে আসছি। সাথে থাকা আরো ২ মোরগী বেপারীর বাড়ী হচ্ছে সদর লেঙ্গুর এলাকার বেলাল ও ইব্রাহীম।
পাকিস্তানী কক কে দেশী মোরগী বলে বিক্রি করছ এটাকি প্রতারনা নয়? এমন প্রশ্নের সাথে সাথেই তার জোরালো উত্তর শুধু আমি কেন টেকনাফ উপরের বাজার, মোরগীর বাজার, গণি মার্কেটের সামনে আর যারা হাতে নিয়ে বিক্রি করে সবইতো পাকিস্তানী কক। জিয়া আরো বলেন বর্তমানে টেকনাফে প্রায় ২০ টি ফার্মে পাকিস্তানী কক প্রজনন হচ্ছে, আমরা সেখান থেকে কিনে আনি। সবাই দেশী মোরগী বলে নিচ্ছে খাচ্ছে আপনি কেন অন্য কথা বলছেন। টেকনাফে এত দেশী মোরগী নেই মাঝে মাঝে কিছু পাওয়া যায়।
দেশী মোরগী মনে করে সবাই বাসা বাড়ীতে নিলেও জানেনা আসলে আমরা পাকিস্তানী কক খাচ্ছি। এ সুযোগে ফায়দা লুটছে কথিপয় প্রতারক আর প্রতারিত হচ্ছে ভোক্তা সাধারণ। দেশী মোরগী আর পাকিস্তানী কক এর মধ্যে কোন পার্থক্য না থাকায় অতি সহজেই প্রতারিত হয়ে দেশী মোরগীর স্বাদ নিয়ে প্রশ্ন তোলছেন অনেকে।




