কাশিমপুর কারাগার থেকে সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে প্রস্তুত ফাঁসির মঞ্চ। যেকোনও সময় মীর কাসেমের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।
কাশিমপুর কারাগার-২ সূত্র জানায়, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে শনিবার দুপুরের পর কারাগারের ভেতরে মঞ্চে চূড়ান্ত মহড়ায় চার জল্লাদ অংশ নেন। তারা হলেন শাহজাহান, দ্বীন ইসলাম, রিপন ও শাহীন। কারাসূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
কারা ফটকের সামনে থেকে সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম এর গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিক ও উপজেলা প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, কাশিমপুর কারাগারে শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে এ পর্যন্ত তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ও র্যাব পুলিশের মোট ৯টি গাড়ি প্রবেশ করেছে। রাত ৮টা ৫০ মিনিটে পুলিশ ও র্যাবের পাহারায় অ্যাম্বুলেন্সগুলো কারাগারে প্রবেশ করে। অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে প্রবেশ করেছেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুন উর রশীদ।
এদিকে শনিবার দুপুর ২টার দিকে কারাগারে প্রবেশ করেন অতিরিক্ত আইজি (প্রিজন্স) কর্নেল ইকবাল কবীর, বিকেল ৪ টায় প্রবেশ করেন ঢাকা বিভাগের ডিআইজি (প্রিজন্স) গোলাম হায়দার।
এ ছাড়া, সন্ধ্যা ৭ টায় আইজি (প্রিজন্স) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন কাশিমপুর কারাগারে প্রবেশ করেন।
এ সময় একই সঙ্গে গাজীপুরের সিভিল সার্জন আলী হায়দার খানও কারাগারে প্রবেশ করেন বলে জানা গেছে। রাত ৯ টা ৩৭ মিনিটের সময় জেলাপ্রশাস এসএম আলম, অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক রেহানুল আলম ও সিভিল সার্জন আলী হায়দার খান কারাগারে প্রবেশ করেন।
এছাড়া রাত শনিবার রাত সোয়া নয়টার সময় পর্যন্ত জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক ও জেলার নাসির আহমেদও কাশিমপুর কারাগারের ভেতরে অবস্থান করছেন।
কারাগারের জেলার মো. নাশির আহমেদ সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম সহ অন্যান্য গণমাধ্যমকে জানান, ‘মীর কাসেম আলীর ফাঁসির নির্বাহী আদেশ শনিবার বিকাল ৪-৫০ মিনিটে কাশিমপুর কারাগারে এসে পৌঁছেছে।’
এদিকে, গত বুধবারের পর আজ শনিবার আবারও কারাগারে সাক্ষাতের জন্য মীর কাসেমের পরিবার সদস্যদের ডেকে পাঠানো হয়। কারাগারে যখন মীর কাসেমের ফাঁসির নির্বাহী আদেশ পৌঁছায় তখনও কারাভ্যন্তরে অবস্থান করছিলেন তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসা পরিবারের ৪৭ জন সদস্য।





