এই মাত্র:

বনফুল ও মধুবনকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা

বুধবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৬

সিটিজিবার্তা২৪ডটকম

jorimanaশাহরিয়ার, চট্টগ্রামঃ র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম মঙ্গলবার রাতে নগরীর বায়েজিদ থানার বনফুল অ্যান্ড কোং ও মধুবনকে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি, ক্ষতিকর উপাদান ব্যবহারসহ ‘শোরুমে অবিক্রীত পণ্য পুনরায় প্রক্রিয়া করা’র মতো গুরুতর অনিয়মের অভিযোগে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া বনফুলের ৫০-৬০ মণ পচা মিষ্টি নালায় ফেলে দেওয়া (ডাম্পিং) করা হয়েছে।
নগরীর বায়েজিদ থানার শেরশাহ ও পাঁচলাইশ থানার বিবিরহাট এলাকায় দুই প্রতিষ্ঠানের কারখানায় অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে- ঘনচিনি (স্যাকারিন), পুরোনো শিশা ব্যবহার, নোংরা পরিবেশে মিষ্টি তৈরি করায় বনফুলকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া নুডলস, বিস্কুট, চানাচুরসহ বিভিন্ন পণ্যে তৈরির অগ্রীম তারিখ বসানো ও ক্ষতিকর দ্রব্য ব্যবহার করায় মধুবনকে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মধুবনের কারখানার শ্রমিকরা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছেন, ওই কারখানায় খাদ্যপণ্য তৈরিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল, শিল্পে ব্যবহৃত (ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেড) অ্যাসিডসহ বিভিন্ন উপাদান বিস্কুট তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছিল।

ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম সিটিজিবার্তা২৪ডটকমকে বলেন, মধুবনের বিস্কুট কারখানায় আমরা কিছু নুডলস, সেমাই পেয়েছি যেগুলো দেড় মাস আগে তৈরি হলেও সেমাইয়ের মোড়কে উৎপাদনের তারিখ লেখা হয়েছে ‘মার্চ ২০১৬’। এ ধরনের প্রতারণা আমরা আগে কোনো অভিযানে দেখিনি।

বনফুলের কারখানার পরিবেশ অত্যন্ত বাজে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বনফুলের কারখানায় দেখা গেছে বিভিন্ন শোরুম থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ, নষ্ট যেসব প্লাস্টিক কৌটা ভর্তি মিষ্টি ফেরত এসেছে সেগুলো পুনরায় নতুন তৈরি মিষ্টির সঙ্গে মিশিয়ে আবার কৌটা ভরা হচ্ছে। কিছু পণ্য পাওয়া গেছে যেগুলো মঙ্গলবার (৫ জানুয়ারি)তৈরি হলেও সিল মারা হয়েছে ‘৭ জানুয়ারি’। এর অর্থ হচ্ছে একদিকে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে অন্যদিকে খাদ্যপণ্যে গোপনে প্রিজারভেটিভ মেশানো হয়েছে যাতে বেশিদিন খাবারগুলো ভালো দেখায়।

তিনি বলেন, ১৯৮২ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ঘনচিনি মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর প্রমাণ হওয়ায় ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও সস্তায় খাবারকে বেশি মিষ্টি করার জন্য বনফুল ও মধুবন তাদের পণ্যে এটি ব্যবহার করছে।

আপনার মতামত দিন....

এ বিষয়ের অন্যান্য খবর:


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image