স্টাফ রির্পোটার, সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৬
চট্টগ্রামঃ বন্দরনগরী চট্টগ্রামে তৈরি হচ্ছে একের পর এক ফ্লাইওভার। কিন্তু, যেগুলো চালু আছে, দেখভালের অভাবে সেগুলোর অবস্থাও নাজুক। এই যেমন বহদ্দারহাট ও কদমতলী ফ্লাইওভার। নির্মাণের পর থেকেই, রক্ষণাবেক্ষনের অভাবে জমে থাকছে পানি ও ময়লা আবর্জনা।
এজন্য অবশ্য, নির্মাণ ত্রুটিকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে রক্ষণাবেক্ষণে গাফিলতির জন্য, সিডিএকে দায়ী করা হলেও, তাদের দাবি ভিন্ন।
এটি বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারের ছবি। চালুর তিন বছর না পেরুতেই এটির নানা অংশের এমন বিধ্বস্ত চেহারা।
শুধু তাই নয়, নামার পথ নেই। তাই ফ্লাইওভারের জমে থাকছে পানি। সেই সাথে যত্রতত্র ময়লা আর্বজনার স্তুপ আর অধিকাংশ বিদ্যুতের বাতিও নষ্ট।
এমন অবস্থা দাড়িয়েছে, গত বছর চালু হওয়া কদমতলী ফ্লাইওভারেরও। এটির ওপরও পানি জমা আর আর্বজনা পড়ে থাকে প্রায় নিয়মিত।
এসব চিত্র দেখে মনে হবে ফ্লাইওভারগুলো রক্ষণাবেক্ষনের জন্য যেন কেউ নেই। যদিও বিশেষজ্ঞরা এজন্য দায়ী করছেন সিডিএকে। পাশাপাশি ফ্লাইওভারের ওপর পানি নিষ্কাশন না হওয়ার জন্য এগুলোর নির্মাণ ক্রুটিকে দায়ী করেছেন তারা।
নিয়ম অনুযায়ী রাস্তাঘাট ও ফ্লাইওভারগুলো নির্মাণের পর একবছর রক্ষণাবেক্ষণ করবে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। এরপর তা সিটি কর্পোরেশনকে বুঝিয়ে দেয়ার কথা। তবে চালু হওয়া কোন ফ্লাইওভারই এখনো কর্পোরেশনকে বুঝিয়ে দেয়নি সিডিএ। সেই সাথে নিজস্ব আইনেও এসব স্থাপনা রক্ষণাবেক্ষণ আর পরিচ্ছন্নতায় কাজ করার সুযোগ নেই সংস্থাটির।
সংশ্লিষ্টদের আশংকা, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ না হলে এসব স্থাপনার আয়ুষ্কাল কমার পাশাপাশি স্বাচ্ছন্দে নগরবাসীর ব্যবহারও বাঁধাগ্রস্ত হবে।







