মরণফাঁদে তৈরী হচ্ছে মোহছেন আউলিয়া সড়ক

রেজাউল সাজ্জাদ, সিটিজিবার্তা২৪ডটকম

শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬

img_20160910_141327

আনোয়ারা প্রতিনিধি: আনোয়ারা উপজেলার উপমহাদেশের অলি কূলের শিরোমনি বার আউলিয়া হযরত সম্রাট শাহ মোহসেন আউলিয়ার রহঃ পুণ্যভূমি বটতলী।

মাজার জেয়ারত করার জন্য বাংলাদেশের শেষ প্রান্ত থেকে হাজার হাজার অলি প্রেমিকরা মাজার জেয়ারত করার জন্য এই মোহসেন আউলিয়া সড়কটি দিয়ে মাজারে যায়। সড়কটি দিয়ে আনোয়ারার লক্ষ লক্ষ জনগণ যাতায়াত করে। এই সড়কটি আনোয়ারার অন্যতম ব্যস্তপূর্ণ সড়কে পরিণত হয়েছে। এই সড়কটি বন্দর কমিউনিটি সেন্টার থেকে শুরু করে বটতলী রুস্তম হাট পর্যন্ত বিস্তৃত।

“সড়কটি ব্যস্তময় হওয়ায় দিন দিন তা যেন মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে।নিন্মমানের কাজ করার কারণে সড়কটির মাঝে মাঝে বিশাল আকারের গর্ত সৃষ্টি হয়ে মরণফাঁদে তৈরী হচ্ছে।”

এইতো গত কিছুদিন আগেও এই সড়কটি পুনঃসংস্কারের জন্য কাজ শুরু করলেও মাঝপথে এসে তা থেমে গেছে। সড়কটি পুনঃ সংস্কারের পাশাপাশি স্বাভাবিক রাস্তা থেকে দুই পাশে ৩ ফুট করে বড় করার কথা থাকলেও কিছু কিছু যায়গায় তা নেওয়া হয়নি।

কেন নেওয়া হয়নি এর কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা যাই, ‘প্রভাবশালী কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তির চাপে পড়ে সেসব জায়গা নেওয়া সম্ভব হয়নি।’

img_20160910_141353

এই প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে দেখা যাই, ‘কাফকো সেন্টার থেকে রাডার অফিস পর্যন্ত রাস্তা বড় এবং পুনঃ সংস্কার করা হলেও কিন্তু ভোলা শাহ মাজার সংলগ্ন আনওয়ার উল্লাহ ফকির জামে মসজিদ থেকে বটতলী লেদু মিয়ার মার্কেট পর্যন্ত সড়কটি পুনঃ সংস্কার করা হয় নি তাছাড়া সামান্য বৃষ্টি হলে সড়কে পানি জমে ছোট ছোট গর্তের সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীতে তা বিরাট আকার ধারণ করে। যার ফলে সড়কটিতে গাড়ী চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। ভোগান্তীতে পড়তে হয় সাধারণ যাত্রীদের।’

সড়কটি যদি পুনঃ সংস্কার করার পর ও সেখানে পানি জমে গর্তের সৃষ্টি হয় তাহলে ধরে নেওয়া যাই যে,কাজগুলো করা হয়েছিল নিন্মমানের। তাহলে কি সড়কের পুনঃ সংস্কারের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা সড়ক পুনঃ সংস্কারের পরিবর্তে নিজেদের পকেট পুনঃ ভর্তি করল?

এ সম্পর্কে স্থানীয় এক নেতার কাছে জানতে চাইলে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা এই সড়ক পুনঃ সংস্কারের টেন্ডার পেয়েছে। এসব নেতারা সড়কটিতে নিন্মমানের কাজ করে বাকী টাকাগুলো নিজেদের পকেটে পুরে নিয়েছে।’

আপনার মতামত দিন....

এ বিষয়ের অন্যান্য খবর:


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.