সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম
মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬
একজন নারীর শরীর সাধারণত পুরুষের তুলনায় অনেক বেশি নরম। বাস্তবিক অর্থেই নারী মানে কোমলময়ী শরীর। কিন্তু এমনটা কেন? এর পেছনে বিজ্ঞানের ব্যাখ্যাই বা কী?
বিজ্ঞানের ভাষায় বলছে, মূলত তিনটি বিষয়ের জন্য এমনটা হয় জিন, হরমোন এবং জীবনযাপনের ধরন।
নারীদের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রাধান্যেও জন্য তাদের ত্বক পুরুষদের তুলনায় অনেক বেশি তৈলাক্ত হয়। ত্বকের কোমল ভাব অনেক বেশি থাকে। এ কারণে সামগ্রিকভাবেই নারীর শরীর নরম লাগে।
নারীদের কোমল শরীরের পেছনের মূল নিয়ামক কিন্তু জিন। আদিম মানব এবং মানবীরা যতদিন একসঙ্গে শিকার করেছে ততদিন নারীপুরুষ দুই শরীরই কঠিন এবং পেশীবহুল ছিল।
কৃষিভিত্তিক সভ্যতার সূত্রপাতের সঙ্গে সঙ্গে নারীদের ভূমিকা পাল্টে যেতে থাকে। অত্যন্ত কঠিন শারীরিক পরিশ্রমের পরিবর্তে অপেক্ষাকৃত হালকা বাড়ির কাজেই অভ্যস্ত হয়ে ওঠে নারী শরীর। এ অভ্যাসই জিনবাহিত হয়েছে প্রায় দু’হাজার বছর ধরে। তাই আদিম মানবীর জিনগঠনের সঙ্গে আধুনিক মানবীদের জিনগঠনে বহু পার্থক্য, বিশেষ করে শারীরিক কোমলতার নিরিখে।
যুগ যুগ ধরে এক প্রজন্ম থেকে আর এক প্রজন্মে বাহিত হওয়া জিনই নারীদের শরীরের কোমলতার মূল কারণ। এর কারণেই নারীর মাংসপেশীতে ফ্যাটি টিস্যুর পরিমাণ পুরুষের তুলনায় অনেক বেশি।
নারীর শরীরের হাড় একজন পুরুষের তুলনায় অনেক বেশি পাতলা হয়। এ কারণেও নারীদের শরীর অনেক বেশি নরম লাগে। কী ধরনের জীবনযাপন করেন একজন নারী তার উপরেও নির্ভর করে শরীর কতটা কোমল থাকবে। যে নারী মাউন্টেনিয়ারিং করেন তার তুলনায় যিনি হোমমেকার তার শারীরিক কোমলতা স্বাভাবিকভাবেই বেশি হবে।





