লালখান বাজার শামসু কলোনি দখলের চেষ্টায় প্রভাবশালী মহল

সিটিজিবার্তা২৪ডটকম, নিউজ ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬ আগস্ট ২০১৬

press-confarence

চট্টগ্রাম: নগরীর লালখান বাজারের ২৩৯ নং শামসু কলোনীতে (আমিন সেন্টার মার্কেটের সাথে লাগোয়া সম্পত্তি) দখলের চেষ্টা করছে একটি প্রভাবশালী মহল।

শামসু কলোনীতে বসবাসকারী ভাড়াটিয়াগণকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে মৃত্যুর হুমকী দিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয়, তারা এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে বলে গত ২৫ আগস্ট বিকাল ৪ টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো. ওমর ফারুক খান উল্লেখ করেন।

তিনি লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন ১৯৮০ সাল হতে ফারুকের পিতা মরহুম আনোয়ার আজিমসহ তারা ভোগ দখলে আছে। তারপর গত ১৯৯৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী সদর সাবরেজিস্ট্ররী অফিসের দলিল নং ১২২৪ মূলে মো. ফারুক খানসহ তার ভাইগণের নামে ক্রয় করে মালিক ও দখলকার অবস্থায় উক্ত সম্পত্তিতে ৩ লাইন বিশিষ্ট সেমিপাকা গৃহ নির্মাণ করে বসবাস করছে। যাহাতে ১০টি কক্ষ, ২ টি রান্না ঘর, ২টি বাথরুমসহ বিভিন্ন ভাড়াটিয়ার নিকট ভাড়া দিয়ে ভোগ দখলে ছিল।

বাড়ী দখলকে কেন্দ্র করে গত বুধবার সকালে বাড়ী ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে ওই প্রভাবশালী। বাড়ীঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের পর হত্যার হুমকি দেয়। এ ব্যাপারে খুলশী থানায় মামলাও করা হয়েছে।

মো. ফারুক খান তার অপরাপর ভাইয়েরা বলেন, আমরা দীর্ঘ ৩৬ বছর সঠিক ভাবে সম্পত্তি ক্রয় করে এখানে বসবাস করে আসছি।

কিন্তু হঠ্যৎ করেই গত কয়েক দিন ধরে এরশাদুল আমিনের নাম ব্যবহার করে একদল ভাড়া করা সন্ত্রাসী গুণ্ডা প্রকৃতির লোক আমাদের বাড়ি দখলের পাঁয়তারা করে আসছে এবং থানায় মামলা করলে আমাদেরকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দিয়েও আসছে।

কিন্তু হঠ্যৎ করে এ পরিবারটিকে উচ্ছেদ করে কলোনী দখলের চেষ্টা করে বর্তমান সভ্যসমাজকে ঘৃণায় ফেলে দিয়েছে এরশাদুল আমিন নামের এ প্রভাবশালী। তার এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার কথা অতীতে আরও হয়েছে বলে মো. ফারুক খান জানান।

মো. ফারুক খান ও তার ভাইয়েরা তাদের কলোনীটি রক্ষার জন্য প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনের উপস্থিত ছিলেন মো. ফিরোজ খান, আশফাক আজিম খান, নীগার সুলতানা প্রমুখ।

আপনার মতামত দিন....

এ বিষয়ের অন্যান্য খবর:


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.