বগুড়ায় ভিক্ষুক ও ছিন্নমূল শিশুরা সাহার্য্য নিতে ধনাঢ়্যদের দ্বারে দ্বারে
বগুড়া প্রতিনিধি, সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
রোববার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬

আল আমিন মন্ডল: আগামীকাল মঙ্গলবার পবিত্র ঈদ-উল-আযহা। বগুড়া জেলা’সহ গাবতলীতে শেষ মুহুর্তে ঈদ বাজারে টুপি আতর সুরমা-তসবি কেনাকাটা জমে উঠেছে।
ভিক্ষুক-দুস্থ ও ছিন্নমূল শিশুরা এখন সাহার্য্য (যাকাত) নিতে ধনাঢ়্য ব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদ উদযাপন করতে ঘরমুখী মানুষ এখন বাড়ি ফেরার অপেক্ষায়। মা-বাবা তাকিয়ে আছে সন্তানের দিকে। ঈদের নামাজে সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন নতুন টুপি। সঙ্গে চাই সুগন্ধী আতর ও সুরমা। আর এজন্য শেষ মুহুতে সবাই এখন টুপির দোকানে ভীড় জমাচ্ছেন।
বগুড়াসহ গাবতলীতে এখন প্রতিটি টুপি ৫০ টাকা থেকে ১শ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এসেছে তুর্কি টুপি, আফগান টুপি ও দেশীয় টুপিসহ সুতা দিয়ে হাতের কারু কাজ করা তৈরী টুপি। তবে সাদা টুপি বিক্রি হচ্ছে বেশী। সবাই সাধ ও সাধ্যের মধ্যে টুপি ক্রয় করতে পাচ্ছে।
টুপি বিক্রেতা শিপন ও টুকু জানান, টুপি বিক্রিতে লাভ কম। তবুও বাজারে বেশী বিক্রি হচ্ছে। মার্কেট ছাড়াও ফুটপাতে (ভ্রাম্যমান) দোকানে সাজিয়ে রেখে টুপি আতর সুরমা বিক্রি করা সম্ভব।
এছাড়াও ঈদগাঁহ মাঠে মুসল্লিদের মাথায় শোভা পাবে বিভিন্ন রকমের টুপি। অপরদিকে ছিন্নমুল শিশু ও ভূমিহীন দুস্থ পরিবারগুলো তাদের চাহিদা পুরনে সাহার্য্য (যাকাত) টাকা সংগ্রহ করতে সমাজের ধনাঢ়্য ব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে দেখা যাচ্ছে।
পুরানো কাপড় পরিস্কার, জুতা কালি করা, আর ঈদের দিনে ভোর সকালে একটু লাভ খাবারের আশায় অভাবি মানুষ গুলো এখন যাকাত বা সাহার্য্য নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
এদিকে সবার জন্য ঈদ-উল-আযহা’র নামাজে পরিপূর্ণতা ফিরে আনতে ইতিমধ্যে মাঠগুলো নানা রঙ্গে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। রাস্তায় তৈরী করা হচ্ছে তোরন ও গেট।




