গোলাপগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি এমরুল : গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম খান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৌরিন করিমের উপর হামলার চেষ্টার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফলিকসহ ১৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার রাতে নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস কর্মচারী ওসমান আলী বাদী হয়ে থানায় দ্রূত বিচার আইনে মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনায় পুলিশ ১ জনকে আটক করেছে। মামলা দায়েরের পর পুলিশ প্রধান আসামী লামা চন্দরপুর এলাকার কুখ্যাত ফলিক খাঁনকে গ্রেফতারের জন্য একাধিকবার অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করতে না পারলেও তার সহযোগী সায়িদ আহমদ(২৮) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জানা যায়,উপজেলার চন্দরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকা নার্গিস বাহার তার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে একই এলাকার ফলিক খান সহ কয়েক জনকে অভিযুক্ত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি আবেদন করেন গত ৫ জুন।
এ আবেদনের প্রেক্ষিতে ইউএনও মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খাঁন এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) মৌরিন করিম ঔ দিন শোনানীর জন্য উভয় পক্ষকে তার অফিসে তলব করেন।
সোমবার দুপুরে ইউএনও’র অফিসে এ আবেদন শুনানীর এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে পরেন ফলিক খানঁ। এর পর ভিডিও চিত্র ধারণ করতে শুরু করলে ইউএনও এর কারণ জানতে চান। এ সময় ফলিক ও তার বাহিনীর লোকজন ইউএনও ও এসিল্যন্ডের ওপর হামলা করার চেষ্টা করলে অফিসের কর্মচারী মামুন সহ কয়েকজন এগিয়ে আসেন। এসময় সন্ত্রাসী ফলিক খাঁন ও তার বাহিনী হামলা চালায় কর্মচারী মামুনের উপর।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ওসি এ, কে,এম ফজলুল হক শিবলি বলেন, ফলিক একজন সন্ত্রাসী তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। মামলার আসামীদের ধরার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।





