জলাবদ্ধতা নিরসনে চায়না-বাংলাদেশ জি ২ জি প্রকল্প ভিত্তিক ফিজিবিলিটি স্টাডি রিপোর্ট উপস্থাপন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

রোববার,২৩ এপ্রিল ২০১৭

সিটিজিবার্তা২৪ডটকম

চট্রগ্রাম : চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে চায়না-বাংলাদেশ জি ২ জি প্রকল্প ভিত্তিক ফিজিবিলিটি স্টাডি রিপোর্ট উপস্থাপন বিষয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধানে আমি উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।

১৯৬৫ সালে সিডিএ প্রণীত মাস্টারপ্ল্যান আজ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে চট্টগ্রাম নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যারও কোন সুরাহা হয়নি। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক। আজ সরকারের জি ২ জি প্রকল্পের আওতায় পাওয়ার চায়না ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ প্রস্তুতকৃত “ফ্লাড কন্ট্রোল এন্ড ওয়াটার লগিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম অব চিটাগাং সিটি” শীর্ষক প্রতিবেদনটি উপস্থাপিত হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। তবে প্রকল্প ব্যয় বাজেটে জায়গা অধিগ্রহণ বরাদ্দের বিষয়টি সংযুক্ত হয়নি। প্রকল্পটি শীঘ্রই পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জমাদান সাপেক্ষে অনুমোদনের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। প্রকল্পটি প্রি-একনেক হয়ে একনেকে অনুমোদন পেতে প্রায় ১ বছর সময় লাগতে পারে। প্রকল্পটির বাস্তবায়ন মেয়াদ প্রায় ৩ থেকে ৪ বছর।

সিটি মেয়র আরো বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩৪’শ কোটি বাজেটে কর্ণফুলীর তীরে গাইড ওয়াল নির্মাণ,নদী সংযুক্ত ৩৪টি খালের মুখে স্লুইস গেট উইথ পাম্প হাউস নির্মাণের আরো একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সেটি বর্তমানে চুড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তাছাড়া চসিক নালা-নর্দমা সংস্কার, খাল থেকে মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম নিয়মিত ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, নগরীতে সিডিএ’র ফ্লাইওভার নির্মাণ,ওয়াসা, কর্ণফুলীর গ্যাস,টিএন্ডটি, পিডিবি ও অন্যান্য সংস্থা সমূহের সংযোগ কার্যক্রম চালানোর কারণে সড়কে বাড়তি আবর্জনা সৃষ্টি হচ্ছে। এসকল আবর্জনা নালা খালে পতিত হয়ে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে অতি বৃষ্টির পানি সহজে নিষ্কাশিত না হওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।

কর্মশালায় পাওয়ার চায়না ইন্টারন্যাশনাল গুপ লি. প্রতিনিধিবৃন্দ, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমদ, সিডিএ’র প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ শাহিনুল ইসলাম, চসিক প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম,চট্টগ্রাম মঞ্চ সম্পাদক সৈয়দ ওমর ফারুক,চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরীসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম সংবাদকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


CAPTCHA Image
Reload Image