সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম
শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যে আমেরিকান-এটা মানতে ভীষণ আপত্তি ছিল আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ‘ছিল’ বলতে হচ্ছে এ কারণে যে এখন তিনি আর এমনটা মনে করেন না।
নানা বিতর্ক, তত্ত্ব-তথ্য হাজিরের পর অবশেষে রণে ভঙ্গ দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নিলেন, ওবামা আমেরিকান। খবর এএফপির
হিসপানিকদের এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প ওবামার নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্কের জন্য এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে দায়ী করেন।
তাঁর অভিযোগ, ২০০৮ সালে ডেমোক্র্যাট দলের মনোনয়ন পাওয়ার লড়াইয়ে নেমে হিলারিই ওবামার বিরুদ্ধে ওই দুর্নাম ছড়িয়েছিলেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের মুখে বিষয়টি স্বীকার করে নেওয়ার আগে শুক্রবার তাঁর প্রচারকর্মী দল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করে নেয়, ‘প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রেই। আর বিষয়টি তাঁরা লিখিত বিবৃতিতে জানান।’
বারাক ওবামার জন্মস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে ডোনাল্ড ট্রাম্প এ নিয়ে প্রচার চালিয়ে আসছিলেন। প্রাপ্ত তথ্যপ্রমাণ অনুযায়ী, ওবামার জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই অঙ্গরাজ্যে।
মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্ম না হলে কেউ অন্যভাবে নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ আইনজ্ঞ মনে করেন, সংবিধান ‘ন্যাচারাল বর্ন সিটিজেন’ বলতে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্ম নেওয়া অথবা মা-বাবার একজন মার্কিন নাগরিক হওয়াকে বুঝিয়েছে।
ওবামার নাগরিকত্ব বিষয়ে তাঁর প্রতি অভিযোগ তোলার জবাবে হিলারি ক্লিনটন বলেন, ‘বর্ণবাদী জন্ম বিতর্ক প্রচারণায় নেতৃত্ব নিয়েছেন এমন একজন ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উত্তরসূরি হতে পারেন না এবং হবেনও না।’





