খুলনা ব্যুরো, সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
শনিবার, ২৭ আগস্ট ২০১৬
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
আজ শনিবার (২৭ আগস্ট) সকালে ও দুপুরে এসব সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোনাডাঙ্গা থানার পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব নমিতা হালদার কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শনে যান। হাসপাতালে পরিদর্শনে গিয়ে তিনি তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে অবস্থান করছিলেন। এদিকে খুলনা মেডিকেল কলেজে তাঁর সংবর্ধনার আয়োজন চলছিল। তখন এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কলেজ ক্যানটিনে খুলনা মেডিকেল কলেজে ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি সাইফুল্লাহ মানসুর পক্ষের কর্মীদের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমানের পক্ষের কর্মীদের হাতাহাতি ও মারামারি হয়। এ সময় কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী সামান্য আহত হন।
পরে বেলা একটার দিকে দু’পক্ষের মধ্যে আবারও উত্তেজনা শুরু হয়। কলেজের দুই নেতা সোনাডাঙ্গা থানা ছাত্রলীগের দুই নেতাকে খবর দেন। সোনাডাঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি জনি বসু সাইফুল্লাহর পক্ষের সঙ্গে এবং সাধারণ সম্পাদক রোমান আহমেদ সাইদুরের পক্ষের সঙ্গে যোগ দেন। পরে উভয় পক্ষে কলেজ ক্যাম্পাসে কয়েক ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা কলেজ ও হাসপাতাল ভবনের বিভিন্ন কক্ষের জানালা ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ও র্যাব গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সোনাডাঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুমান আহমেদ অভিযোগ করেন, বিষয়টি মীমাংসার জন্য ক্যাম্পাসে গেলে থানা সভাপতির জনি বসুর নেতৃত্বে কিছু কর্মী তাঁদের ওপর হামলা চালায়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জনি বসু , মেডিকেল কলেজে মারামারি হচ্ছে, শুনে আমি গিয়েছি। তবে আমি নিজে মারামারিতে অংশ নিইনি।
খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকুমার বিশ্বাস বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন রয়েছে।






