এই মাত্র:

রোহিঙ্গাদের বিদেশী তাঁবুর চেয়ে পলিথিনের ঘরে অনেকের স্বস্তি

Sunday,15 Oct 2017

Ctgbarta24.com

কুতুপালং নতুন আশ্রয় শিবিরের মধুখালী এলাকা। এখানে রোহিঙ্গাদের জন্য নিজেদের উদ্যোগে বানানো বাঁশ ও পলিথিনের ছাপড়া ঘর ছাড়াও আছে অনেকগুলো বিদেশী তাঁবু। পুরো এলাকায় ছাপড়া ঘরে তিল ধারণের ঠাঁই না থাকলেও তাঁবু গুলো পড়ে আছে খালি। অনেকগুলোতে রোহিঙ্গারা থাকলেও তাঁবুর বাইরে আবার নতুন ছাউনি বানিয়েছে তারা।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ত্রাণ হিসেবে পাওয়া আধুনিক তাঁবুতে থাকতে চাইছে না মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গারা। তাঁরা বলছে এসব তাঁবুতে গরম বেশি। এ কারণে পলিথিনের ছাপড়া ঘরই তাঁদের পছন্দ। ফলে বিদেশী তাঁবুর দুই তৃতীয়াংশই পড়ে আছে সরকারি গুদামে।

তাঁবু থাকতে বাইরে কেন। প্রশ্নের জবাবে তাঁবুগুলোর মোটা কাপড় দেখিয়ে রোহিঙ্গারা বলছে গরমের কারণে তাঁবুতে থাকা দায়। নেই বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাও। কড়া রোদ আর রোহিঙ্গা বসতি জুড়ে বেশিরভাগ গাছ কেটে ফেলায় গরমের ভোগান্তি আরো বেড়েছে।

এক পুরুষ রোহিঙ্গা জানান, পলিথিনের ঘরে বাতাস ঢুকে, কিন্তু এই তাঁবুতে বাতাসের ব্যবস্থা নাই। তাই গরম বেশি।

এক মহিলা রোহিঙ্গা জানান, তাবুতে বেশি গরম সহ্য করতে পারছি না। অসহ্য হয়ে বাইরে বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে বসে আছি।

ইরান, মরক্কো, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন থেকে মূলতঃ ত্রাণ হিসেবেই পাওয়া গেছে এসব তাঁবু। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা বলছে এসব তাঁবু শীতপ্রধান দেশের জন্য উপযোগী করে বানানো। গরমের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আলাদা তাঁবুর ডিজাইন করার চিন্তা চলছে বলেও জানিয়েছে প্রশাসন।

জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন অফিস বলছে, ইতোমধ্যে পাওয়া গেছে ৮১১ টি বড় তাঁবু। যার মধ্যে খাটানো হয়েছে ৩০০ টি।

আপনার মতামত দিন....

এ বিষয়ের অন্যান্য খবর:


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image