জয়পুরহাটে একই পরিবারের ৪জনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন ঘাতক জামাইকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শনিবার ভোরে তাকে আটক করা হয়। শুক্রবার গভীররাতে পাঁচবিবি উপজেলার হিলি সীমান্ত সংলগ্ন ভীমপুর-তালপাড়া আদিবাসী পল্লীতে এ হত্যাকান্ড ঘটে। নিহতরা হলেন, তার ৬বছরের নিজ শিশু সন্তান সানি, শ্বাশুড়ি সন্ধ্যারানী মার্ডি(৪৯), শ্যালিকা তেরেজা মার্ডি (১৮) ও ফুফু শ্বশুর- মাইকেল (৫৩)।এ ছাড়াও ধারালো চাপাতির আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে এখন বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছেন ঘাতক সুমন হেমরনের আহত স্ত্রী শশীলা মার্ডি।
আহত শশীলা মার্ডিকে উদ্ধার করে প্রথমে পার্শ্ববর্তী দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাকে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে স্থানান্তরের পর তার অবস্থার দ্রুত অবনিত ঘটায় পরে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতাল থেকে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, নিহতরা সকলেই আদিবাসি পরিবারের সদস্য। কী কারনে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে তা তিনি তাৎক্ষনিক নিশ্চিত করে কিছু বলতে না পারলেও প্রতিবেশিদের বক্তব্য অনুযায়ী স্ত্রী শশীলা মাডির পরকীয়া প্রেমের কারনে এ নৃশংস হত্যাকান্ডটির ঘটতে পারে বলে প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টির সঠিকতা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। ঘাতক সুমন হেমরন জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার নওয়ানা গ্রামের নবীন হেমরমের ছেলে।
Ctgbarta24.com 24 hours Online News Paper