প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ৮:৩৫ মি:
মাহাবুবুল করিম

দাম-ফুঁক রেস্তোঁরার জামালখানে দ্বিতীয় শাখা কেক কেটে উদ্ভোধন করছেন মেয়র আলহাজ্ব আজম নাছির উদ্দিন
ছবি: সিটিজিবার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম: বন্দর নগরীর লালখান বাজার হাইওয়ে প্লাজা মার্কেটের ২য় তলায় গত বছরের এপ্রিল থেকে চালু হওয়া ‘দম ফুঁক’ রেস্তোরাঁর নানারকমের খাবারের স্বাদ এবং মানসম্পর্কে বেশ পরিচিত চট্টগ্রামের ভোজনপ্রেমীরা। রেস্তোরাঁটি উদ্বোধনের পর থেকেই ভারতীয় খাবার আর দেশীয় খাবারকে তাদের নিজস্ব শেফের বৈচিত্র্যময় স্বাদযুক্ত রান্নাকরা আইটেমগুলো মন জয় করেছে নগরবাসী থেকে শুরু করে দেশের অন্যান্য জেলা থেকে আসা ফুডলাভারদের মনে। তাদের খাবারের ‘মান’ সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে খাবারের কোয়ালিটি এবং রেস্তোরাঁ সার্ভিসেস নিয়ে রিভিও গ্রুপ/পেজগুলোতে দেখলেই বেশীরভাগ পোস্ট ‘দম ফুঁক’ এর খাবারের| সে সফলতা থেকে এবার আরও একটি নতুন শাখা খুলেছে রেস্তোরার উদ্যোক্তারা।
‘দম ফুঁক’র এ নতুন শাখার অবস্থান চট্টগ্রাম জমালখান শাহ ওয়ালী উল্লাহ স্কুলের উত্তর পাশের বিল্ডিংয়ের দ্বীতিয় তলায়। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও সেনসিভ এবং ইন্ডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম ক্যাম্পাসের বিপরিত পাশে|
গতকাল সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ‘দম ফুঁক’ রেস্তোঁরার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।
যদিও অনানুষ্ঠানিক ভাবে বেশ কিছুদিন আগে থেকেই চালু হলেও, তাদের খাবার প্রেমীদের ভিড় প্রতিদিন লেগে থাকতো| কাস্টমারদের খাবার খেতে দাড়িঁয়ে অপেক্ষা করতে দেখাযায়|
উদ্বোধনকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রেস্তোরাঁটির অন্যতম উদ্যোক্তা জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাফিস ইকবাল, দৈনিক আজাদীর পরিচালনা সম্পাদক ওয়াহিদ মালেক, একুশে টিভির আবাসিক সম্পাদক রফিকুল বাহার প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন রেস্তোরাঁর আরও পাঁচ উদ্যোক্তা আরফিন, সানি, সুজন চৌধুরী, ফজলুল করিম ও শহীদুল আলমও।
পরে এসে যোগ দেন রেস্তোঁরার অন্যতম উদ্যোক্তা নাফিস ইকবালের বন্ধু এবং জাতীয় দলের সাবেক টিমমেট চট্টলার দুই ক্রিকেটার আফতাব আহমেদ ও নাজিমুদ্দিন।
উদ্বোধনের পর সিটি মেয়র রেস্তোরাঁটি ঘুরে দেখেন। রেস্তোরাঁটি ভোক্তাদের মানসম্মত খাবার পরিবেশন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ বিষয়ে নাফিস ইকবাল বলেন, আমি একজন খেলোয়াড় এবং ‘ক্রিকেট খেলাই আমার প্রথম কাজ। প্রতিদিন সকালে উঠে আমি প্রথমে প্র্যাকটিস করি। তারপর অন্যকিছু। রেস্তোরাঁর দেখাশোনার বিষয়টি আমার শেয়ারহোল্ডার পাঁচ বন্ধু নিয়মিত সামলায়। আমি মাঝে মাঝে এসে সময় দিই।’
তিনি বলেন, ‘নগরবাসীর কাছে মানসম্মত খাবার সরবরাহ করতেই গত বছর দম ফুঁক নিয়ে হাজির হয়েছিলাম আমরা। সেই রেস্তোরাঁয় বেশ সাড়া পেয়েছি। তাই নতুন আরও একটি শাখা খুলেছি আমরা। এতে মোটামুটি সাশ্রয়ী দামে ভারতীয় খাবার ও দেশি খাবার পাবেন ভোক্তারা।’
