শনিবার, ১২ মার্চ ২০১৬
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হবে জেনে লুটপাঠের নতুন নতুন উপায় খুঁজছে সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে যে বিপুল অংকের টাকা লোপাট হয়েছে বলে বলা হচ্ছে ওই ঘটনার সঙ্গে ক্ষমতাসীনদের সংশ্লিষ্টতা আছে কি না তা খতিয়ে দেখা দরকার। সরকারের মদদপুষ্ট কারো কারো ইঙ্গিতে এ কাজ হয়ে থাকতে পারে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপির শীর্ষ এ নেতা।
শনিবার জাতিয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী কর্মজীবী দলের নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্বাধীনতা যুদ্ধে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
গয়েশ্বর বলেন, ‘এই টাকা জনগণের টাকা। জনগণের সম্পদ জনগণকে ফিরিয়ে না দিলে গণরোষের মুখে এই সরকারের পতন হবে।’
আসন্ন ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা দেখে মনে হয়, ‘এ নির্বাচন হবে রাবিশ ও ভোগাস। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বিভিন্ন ইস্যুতে কথায় কথায় যেমন রাবিশ, ভোগাস বলেন তেমনি আমিও আসন্ন ইউপি নির্বাচন নিয়ে একই কথা বলবো। কারণ এই নির্বাচনে কোনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। সিটি করপোরেশন নির্বাচন ও পৌর নির্বাচনের মতো ক্ষমতাসীনরা একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করছে।’
বিএনপির কাউন্সিল প্রসঙ্গে বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘১৯ মার্চের কাউন্সিলের মূল উদ্দেশ্য হলো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্দোলন সংগ্রামকে আরো জোরদার করা। এই কাউন্সিলে ত্যাগি ও সাহসি নেতারা চেয়ারপারসনের দিকে তাকিয়ে আছেন। তারা যেন তাদের যথাযথ মূল্যায়ন পায়।’
তিনি বলেন, ‘চাটুকার ও ধোঁকাবাজ এবং এক-এগারোসহ বিগত আন্দোলনে সংগ্রামের বাইরে যারা ছিল তারা এখন চরমভাবে ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত হচ্ছে, কীভাবে চেয়ারটাকে ধরে রাখা যায়। আমি আশা করি কাউন্সিলে যোগ্য নেতাদেরকেই স্থান দেয়া হবে।’
‘জনগণের আদালতে প্রমাণিত হয়েছে শহীদ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক। আদালতের রায়ে এদেশের স্বাধীনতা আসেনি’ এমনটাই উল্লেখ করে গয়েশ্ব চন্দ্র বলেন, ‘আদালতের চেয়ে বড় জনতার আদালত।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মো. লিটনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, জাতীয়তাবাদী দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ

