সোমবার, ২১ মার্চ ২০১৬ ১৮: ৩৫ ঘন্টা
সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম
চট্টগ্রাম: কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আব্দুর রহিম জিল্লু ও তার স্ত্রীকে নির্যাতনের প্রতিবাদে সদরঘাট থানার ওসি মঈনুল ইসলাম ভূঁইয়াকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ। অবিলম্বে ওসিকে প্রত্যাহার না করলে লাগাতার কর্মসূচীর ঘোষণা দিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ।
সোমবার (২১ মার্চ) নগরীর কোতয়ালি মোড়ে সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দিয়েছে নগর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দরা।
মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমে ইমুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক রনি মির্জা, সুজন বর্মন, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী রনি, খোরশেদ আলম সবুজ, আরিফুল ইসলাম আরিফ, মিনহাজুল আবেদীন সানি, মো.বিন ফয়সাল, দীপঙ্কর সোম শান্ত, শাহাদাৎ হোসেন বুলু, আবদুল আহাদ, জিয়াউল হক জিয়া, এহেসানুল কবির ববি, মোস্তফা কামাল, আবু ছালেহ নূর রিমন, আজিজুল হক আজিজ, শেখর দাশ এবং আরাফাত রুবেল।
সমাবেশে এসে একাত্মতা জানান সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াছ উদ্দিন, হাসান মুরাদ, হাবিবুর রহমান তারেক, উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গিয়াস উদ্দিন, উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, অর্থ সম্পাদক আরাফাত হোসেনসহ সরকারি সিটি কলেজ, ইসলামিয়া কলেজ, ওমরগণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, চট্টগ্রাম কলেজ, ব্যারিষ্টার সুলতান আহমেদ ডিগ্রী কলেজ, মোস্তফা হাকিম ডিগ্রি কলেজ, হাজেরা তজু ডিগ্রি কলেজ, ফজলুল হাজেরা ডিগ্রি কলেজের নেতারা।
উল্লেখ্য শনিবার (১৯ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে নগরীর সদরঘাট থানার দক্ষিণ নালাপাড়ায় আল ইসলামিয়া হোটেলে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় উপ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহিম জিল্লুকে মারধর করেন ওসি। মারধরের কারণে জিল্লুর নাক ফেটে গেছে। তার মুখের বিভিন্ন স্থানে জখম দেখা গেছে। এসময় হোটেলে জিল্লুর স্ত্রী রশ্মিও সেখানে ছিলেন। পরে দুজনকে ধরে সদরঘাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে আদালতে চালান দেয়ার আদেশ দেন ওসি।
খবর পেয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা থানায় হামলা চালান এবং গাড়ি ভাংচুর করেন। তারা থানা থেকে জিল্লুকে ছিনিয়ে নিয়ে আসেন।
আব্দুর রহিম জিল্লু বঙ্গবন্ধু ছবি বিকৃতির অভিযোগে তিনি সংসদ সদস্য এম এ লতিফের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন।

