রবিবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৬
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
কক্সবাজার : কক্সবাজার থেকে দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা নৌ-পথ। কিন্তু এ পথে মহেশখালীতে জরাজীর্ণ একটি জেটিঘাট থাকলেও কক্সবাজার প্রান্তে নেই কোনো স্থায়ী ঘাট।
ফলে দুই প্রান্তেই ভাটার সময় হাঁটু পানি ও কাদামাটি পাড়ি দিয়ে যাত্রীদের উঠতে হচ্ছে ট্রলার ও স্পীড বোটে। এতে চরম দূর্ভোগে পড়ছেন প্রতিদিন অন্তত ৫ হাজার মানুষ।
তবে স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক বলছেন, এ সমস্যা সমাধানে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও দুই পৌরসভা কাজ করছে।
কক্সবাজার থেকে সাগর পথে দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর দূরত্ব ৭ কিলোমিটার। এ পথে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা কাঠের ট্রলার ও স্পীড বোট। যা দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে অন্তত ৫ হাজার মানুষ। মহেশখালী প্রান্তে জরাজীর্ণ একটি জেটিঘাট থাকলেও কক্সবাজার প্রান্তে নেই কোনো স্থায়ী ঘাট।
তাই কাঠের তৈরি সাঁকো আর সারিবদ্ধ নৌকা দিয়ে তৈরি হয়েছে অস্থায়ী ঘাট। তাই দুই প্রান্তে ভাটার সময় পার হতে গিয়ে চরম দূর্ভোগে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের।
এ সমস্যা সমাধানে ড্রেজিং ও জেটি সংস্কারের দাবি জানালেন জেলা স্পীড বোট মালিক সমিতির সভাপতি শহীদুল হক সোহেল।
তবে স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক এএফএম আলাউদ্দিন খান বলছেন, এ সমস্যা সমাধানে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও দুই পৌরসভা কাজ করছে।
কক্সবাজার-মহেশখালী নৌ-পথে প্রতিদিন শতাধিক স্পীড বোট ও ২০টি কাঠের ট্রলার চলাচল করে। মহেশখালী জেটি ঘাটটি ১৯৮৯ সালে নির্মিত হলেও এখনো পর্যন্ত এর কোনো সংস্কার করা হয়নি।
