সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম
সোমবার, ০৯ মে ২০১৬
মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল আজিম রনিকে হাটহাজারী মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে শনিবার (৭ মে) দুপুরে আটক করা হয়। রনির সঙ্গে হাটহাজারী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান রাসেলসহ মোট ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।
গত শনিবার (০৭ মে) বেলা সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার মির্জাপুর থেকে নির্বাচনে দায়িত্বরত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হারুনুর রশিদের নির্দেশে নয়জনকে আটক করে বিজিবি।
এরপর তাদের হাটহাজারী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনিকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়ে গতকাল রবিবার সকালে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
গতকাল-ই ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এ সাজা দেন। পরে সকাল ১০টায় রায়ের কপি হাটহাজারী থানায় পৌঁছালে তাকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
রনিকে কারাদণ্ড দেয়ার পর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দীকি নাজমুল আলম তার নিজস্ব ফেসবুক অ্যাকাউণ্টে রবিবার সন্ধ্যায় আবারও দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ক্ষমা চাই রনির বাবা মার কাছে আগে যদি জানতাম তাহলে রনি কে নেতা বানাতাম না অন্তত ওকে জেল হাজতে যেতে হতোনা । রনি যে বড্ড বেমানান মেজবান ভিত্তিক রাজনীতির সাথে আগে বুঝিনি রনির তুলনা রনি নিজেই ক্ষমা করে দিস………….
আজকের পরে আর কোন ছাত্রলীগের বড় নেতাদের বিরক্ত ও করবোনা ছাত্রলীগ নিয়ে আর লিখবোও না ভূলে যাই যে আমি সাবেক ভালো থাকার চেষ্টা করুন তৃণমূলের কর্মীরা স্রোতের সাথে গা ভাসিয়ে নইলে পরিনতি রাজু অথবা রনির মতোই হইতোবা হবে।

