টেকনাফ স্থল বন্দরে গত মাসে অতিরিক্ত আড়াই কোটি টাকার রাজস্ব আয় বেড়েছে

Saturday,04 Nov 2017

Ctgbarta24.com

মোহাম্মদ মামুন, টেকনাফ : কক্সবাজার জেলার টেকনাফ স্থল বন্দর একটি ব্যস্ততম বন্দর হলেও মায়ানমারের রোহিঙ্গা সংকটের টানাপোড়ন ব্যবসা খাতে লেগেছিল। ফলে মালামাল না আসার কারনে কমে ছিল রাজস্ব খাতে ধীরগতি।পরিস্থিতি এখন অনুকূল আসার ফলে রাজস্ব আয়ে গতি ফিরেছে। অক্টোবর মাসে লক্ষমাত্রার অতিরিক্ত ২ কোটি ৫১ লাখ ৯১ হাজার ৯৪ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। মোট রাজস্ব আয়ের পরিমান ৯ কোটি ৫৫ লাখ, ৯১ হাজার ৮৯৪ টাকা। চলতি অক্টোবর মাসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ কোটি ৪ লাখ টাকা।

টেকনাফ স্থল বন্দর শুল্ক কর্মকর্তা এ,কে,এম মোশারফ হোসেন বলেন, ৩১১টি বিল অব এন্ট্রির বিপরীতে মিয়ানমার থেকে ৪৮ কোটি ৫৮লাখ ৪৯ হাজার ৮৭৫ টাকার পন্য আমদানী হয়েছে। যার বিপরীতে ৯ কোটি ৫৫ লাখ, ৯১ হাজার ৮৯৪ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে। অপরদিকে ২৭টি বিল অব এক্সপোর্ট এর বিপরীতে ১ কোটি ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৩৯৪ টাকার পন্য রপ্তানি মিয়ানমারে রপ্তানী হয়েছে।

এছাড়া অক্টোবর মাসে শাহপরীরদ্বীপ গবাদি পশুর আমদানীর করিডোর দিয়ে ৮৭৮৭টি গরু, ১০৮৮টি মহিষ ও ৩১৪টি ছাগল আমদানী হয়েছে যার বিপরীতে ৫০লাখ ৩শ টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে।

তিনি আরও জানান, রাখাইনে দমন অভিযানের পর মংডুর সাথে বানিজ্য বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু গত অক্টোবরের মাঝামাঝি টেকনাফ-মংডু সীমান্ত বানিজ্য পুনরায় চালু হওয়ায় রাজস্ব আয় লক্ষমাত্রা ছাড়িয়েছে।

উল্লেখ্য গত সেপ্টেম্বর মাসে রাখাইনে দমন অভিযানের কারণে টেকনাফ স্থল বন্দরের রাজস্ব আয়ের লক্ষমাত্রা অর্জিত হয় নি। সেপ্টেম্বর মাসে ৬ কোটি ৮২ লাখ টাকার রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা রাজস্ব কম হয়েছিল।

টেকনাফ স্থল বন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে আসা পণ্যের মধ্যে কাঠ, হিমায়িত মাছ, চাউল, আচার, শুটকি ও মসলা উল্লেখযোগ্য। উল্লেখযোগ্য রপ্তানী পণ্যের মধ্যে রয়েছে গেঞ্জি, ঔষধ, সিমেন্ট।

আপনার মতামত দিন....

এ বিষয়ের অন্যান্য খবর:


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।


CAPTCHA Image
Reload Image