রোববার,২৩ এপ্রিল ২০১৭
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতার স্থায়ী নিরসনে দীর্ঘ মেয়াদী প্রকল্প প্রয়োজন। এর জন্য কমপক্ষে চার বছর মেয়াদি প্রকল্প দরকার। আর তা বাস্তবায়নে ব্যয় হতে পারে ৫ হাজার কোটি টাকা।
একটি জরিপের ফলাফল উপস্থানের জন্য আজ রোববার চট্টগ্রামের নগর ভবনে আয়োজিত সভায় এসব তথ্য জানিয়েছে চীনের সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘চীন পাওয়ার লিমিটেড’। প্রায় ১০ মাসের জরিপ শেষে এসব তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।
বর্ষার আগে এক দিনের বৃষ্টিতে পুরো শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির দুই দিনের মাথায় এই সভার আয়োজন করা হয়। এতে মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন বলেন, নগরবাসীকে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত রাখতে দীর্ঘস্থায়ী প্রকল্প দরকার। এ ব্যাপারে চীন সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের সমঝোতা হয়েছে। প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ হয়েছে। এখন সেটা প্রকল্প আকারে তৈরি করা থেকে শুরু করে একনেকে অনুমোদন পাওয়া পর্যন্ত বছর খানেক সময় লাগতে পারে। আর বাস্তবায়ন করতে লাগবে আরও ৩ বছর।
তিনি আরও বলেন, এ প্রকল্পের বাইরে শিগগির নগরীর ৩৪টি খাল খনন ও বড় খালের মুখে পাম্প হাউজ স্থাপন করবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। এতে জলাবদ্ধতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।
মেয়র বলেন, চট্টগ্রামবাসীর অন্যতম সমস্যা জলাবদ্ধতা। তাৎক্ষনিক সমাধান দিয়ে এ দুর্ভোগ কমানো যাবে না। জলাবদ্ধতা আমি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। স্থায়ী সমাধান ছাড়া এর কোন বিকল্প নাই। অতীতে চট্টগ্রামের কোনো মেয়রই জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী ব্যবস্থা নেননি।
নাছির উদ্দীন জানান, জি টু জির আওতায় চার বছর মেয়াদী প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পের অর্থায়ন করবে চীন সরকার।
তিনি আরও বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে নাগরিক সচেতনতাও জরুরি। লোকজন সব কিছুই নালা ও খালে ফেলে। এতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম শহরের অনেকগুলো খাল দখল ও ভরাট হয়ে গেছে। ফলে নগরীর জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করেছে। আমার সময়ে একটি খাল-নালাও দখল হয়নি। বরং খাল উদ্ধারে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এসময় সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি ওয়াসা, সিডিএসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




