মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০১৫
সিনিয়র করেস্পনডেনট : বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “আপনারা এখন আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির সুরক্ষার জন্য পবিত্র দায়িত্ব পালনকারীদের অংশীদার। আমি আশা করি, আপনারা মহান মুক্তিযুদ্ধের ও সত্যিকারের দেশপ্রেমের চেতনায় এবং পবিত্র সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে বাংলাদেশের আকাশসীমা মুক্ত রাখার জন্য সর্বদা সতর্ক থাকবেন।”
তিনি মঙ্গলবার সকালে যশোরের বিমানবাহিনী একাডেমি প্যারেড গ্রাউন্ডে কর্মকর্তাদের অভিষেক অনুষ্ঠানে এ নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন – “নতুন কমিশনপ্রাপ্ত বিএএফ অফিসাররা এখন দেশের সুরক্ষায় এক মহান অংশীদার।”
এর আগে প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে সুসজ্জিত প্যারেড পরিদর্শন ও চমৎকার মার্চপাস্টে সালাম গ্রহণ করেন। এরপর তিনি ফ্লাইট ক্যাডেটদের মধ্যে ট্রফি, সনদপত্র এবং ফ্লাইং বেজ প্রদান করেন।
কুচকাওয়াজ পরিচালনা করেন ফ্লাইট ক্যাডেট একাডেমির আন্ডার অফিসার মো. আবু হাসান মেহেদি। পরে বিমান বাহিনীর কয়েকটি বিমান চমৎকার ফ্লাই পাস্ট প্রদর্শন করে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুষ্ঠান স্থলে পৌঁছার পর বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল আবু এসরার ও বিএএফ একাডেমির কমান্ডেন্ট এয়ার কমোডর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম তাকে স্বাগত জানান।
মন্ত্রিবর্গ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সেনা ও নৌবাহিনী প্রধান, কূটনীতিক, উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং ফ্লাইট ক্যাডেটদের অভিভাবকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেন, “নতুন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসাররা বিমানবাহিনী একাডেমি থেকে তারা যে মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন তা যথাযথভাবে অনুশীলন করবেন এবং পেশাগত উন্নয়নে অব্যাহত রাখবেন।”
তিনি বলেন, “আপনাদেরকে যেকোন চ্যালেঞ্জকে একটি সুযোগে পরিণত করতে হবে এবং আপনাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে তা প্রয়োগ করতে হবে।”
নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা হবেন বিমানবাহিনীর ভবিষ্যৎ নেতা। আপনাদের বিমান বাহিনীর সক্ষম উত্তরসুরী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য সততা, আন্তরিকতার কোনো বিকল্প নেই।”
প্রধানমন্ত্রী বিশেষ করে আকর্ষণীয় কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে নারী ক্যাডেটদের অংশগ্রহণের বিষয়ে তার আনন্দ প্রকাশ করেন এবং বিশেষভাবে অনুষ্ঠানে ফ্লাইং ব্যাজ অর্জনকারী দুজন নারী পাইলটকে অভিনন্দন জানান।










