সোমবার, ২২ মার্চ ২০১৬
সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম
চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত একজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২২ মার্চ) রাজধানী সচিবালয়ে ডেঙ্গু নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক একথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, তবে এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
মন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু, জিকা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। জিকা ভাইরাস মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত। তবে মশা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে ও জনগণকে সচেতন থাকতে হবে।’
চট্টগ্রামে এর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তার বয়স ৬৫ বছর। তবে কীভাবে তিনি আক্রান্ত হলেন সে ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি। জিকা ভাইরাসের কারণে মস্তিষ্কে ত্রুটি নিয়ে শিশু জন্মের হার বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে সারা বিশ্বব্যাপী এর আগে জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।সংস্থাটি বলছে, মশাবাহিত এই রোগটির সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
গত কয়েক মাসে শুধুমাত্র লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলেই ছোট আকারের মস্তিষ্ক নিয়ে চার হাজারের বেশি শিশু জন্ম নিয়েছে। জিকা ভাইরাসের প্রকোপ লাতিন আমেরিকা থেকে খুব দ্রুতই আরো বহু দুর পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
জিকা ভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে এতোটাই আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে যে কোনো কোনো এলাকায় ঘোষণা করা হয় জরুরি অবস্থা। ডাক্তাররা বলছেন, আরো একটি মহামারীর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে চলেছে। এমনকি আক্রান্ত এলাকার চিকিৎসকরা নারীদেরকে সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, এখনই মা হবেন না।
ডাক্তাররা বলছেন, জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে এর উপসর্গ কিন্তু খুব মারাত্মক কিছু নয়- ঠাণ্ডা লাগা বা ফ্লু হওয়ার মতো কিছু। কখনো কখনো চোখ একটু লাল হয়ে উঠা।
উপসর্গ খুব সাধারণ হলেও এর পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ রকমের। এর ফলে মাতৃগর্ভে ভ্রূণের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় মাইক্রোকেফালি, অনেকে বলছেন মাইক্রোসেফোলি।
‘জিকা ভাইরাস’ ঠেকাতে কিউবায় সেনা মোতায়েন
জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা খরচ বহন করবে সরকার

