খেলাডেস্ক, সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
সোমবার, ৯ মে ২০১৬
ওয়ালটন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সোমবার জয় পেয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে আবাহনীকে ২১ রানে হারিয়েছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ।
টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে আবাহনী লিমিটেড ৬ উইকেটে ২৫৫ রান জমা করে। জবাবে ৪৬.৪ ওভারে ৫ উইকেট ২৪৫ রান তুলে নেয় রূপগঞ্জ। বৃষ্টি আইনে আবাহনীর থেকে ২১ রানে এগিয়ে থেকে জয় পায় রূপগঞ্জ।
২৫৬ রানের জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে ১১ রানে জুনায়েদ সিদ্দীককে (৫) হারায় রূপগঞ্জ। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে জুটি বাঁধেন মোহাম্মদ মিঠুন ও সৌম্য সরকার। ১২৭ রান যোগ করেন এ দুই ব্যাটসম্যান। তাদের জুটির উপর জয়ের ভিত পায় রূপগঞ্জ। ব্যাট হাতে ৮৪ রানের ইনিংস খেলে দলের জয়ে বড় অবদান সৌম্য সরকারের। ৮৯ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ৮৪ রানের ইনিংসটি সাজান সৌম্য। তাকে সঙ্গ দেন মিঠুন।
৭৫ রান করেন উইকেট রক্ষক এ ব্যাটসম্যান। ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান মিঠুন। মোসাদ্দেক হোসেনের বলে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে লং অনে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেন মিঠুন। ২০ ইনিংস পর হাফসেঞ্চুরির স্বাদ পাওয়া সৌম্য সেঞ্চুরির পথে ভালোই এগিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ১৬ রান দূরে থেকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে এলবিডাব্লিউ’র শিকার হন বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যান। স্কোরবোর্ডে ১৯ রান যোগ করে সাজঘরে ফিরেন আসিফ আহমেদ রাতুল।
এরপর পঞ্চম উইকেটে জুটি বেঁধে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যান মোশাররফ হোসেন রুবেল ও নাহিদুল ইসলাম। ৩৮ রান যোগ করেন তারা। জয়ের থেকে মাত্র ১১ রান দূরে ছিল রূপগঞ্জ। সে সময়ে শান্তর বলে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে লং অফে ক্যাচ দেন নাহিদুল(২৫)। দৌড়ে গিয়ে ড্রাইভ দিয়ে অসাধারণ ক্যাচ ধরেন জুবায়ের হোসেন লিখন।
এরপর ভারী বজ্রপাতের কারণে খেলোয়াড়রা মাঠ ছেড়ে যান। মাঠ ছাড়ার প্রায় ১৫ মিনিট পর ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায় দুই দলের ক্রিকেটীয় লড়াই।
এর আগে টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুটা ভালো করে আবাহনী। ৫৯ রান যোগ করেন দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাস। অফ ফর্মে থাকা লিটন ৩৯ বলে ১৯ রানে সাজঘরে ফিরে গেলেও তামিম ইকবাল তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি। দলীয় ১০০ ও ব্যক্তিগত ৫৪ রানে তাইজুলের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেন দেশসেরা এ ওপেনার।
ভারত থেকে উড়িয়ে নিয়ে আসা বিসলা মাত্র ২৭ রান যোগ করে তাইজুলের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন। এরপর চতুর্থ উইকেটে বড় রান পায় আবাহনী। দুই তরুণ ক্রিকেটার নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ১৩২ বলে ১২৫ রান যোগ করেন। দুইজনই তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি।
টপ স্কোরার শান্ত ৮২ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় করেন ৭২ রান। শান্ত আবু হায়দারের বলে ফিরে গেলেও সৈকত শেষ পর্যন্ত টিকে ছিলেন। ৭৫ বলে তার ব্যাট থেকে আসে ৬৭ রান। শুরুটা ভালো হলেও শেষটা ভালো করতে পারেনি আবাহনী।
শেষ ১০ ওভারে মাত্র ৭৭ রান তুলে ৬ উইকেটে ২৫৫ রানের পুঁজি পায় আবাহনী। বল হাতে রূপগঞ্জের সেরা বোলার পেসার আবু হায়দার রনি। ৪৮ রানে নেন ৩ উইকেট। ২ উইকেট নেন তাইজুল ইসলাম।

