ব্রেকিং নিউজ:
Search

“বঙ্গবন্ধুর খুনিদের প্রতি চরম ঘৃণা ও ধিক্কার”: ড.অনুপম সেন

রোববার,১৩ আগস্ট ২০১৭

সিটিজিবার্তা২৪ডটকম

চট্রগ্রাম : আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সমাজবিজ্ঞানী ও শিক্ষায় একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেন, আগস্ট শোকের মাস। ১৯৭৫ সালে এই মাসের ১৫ তারিখে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে কতিপয় দুর্বত্ত। যিনি হাজার বছরের পরাধীন বাঙালিকে স্বাধীনতা দিয়েছেন, একটি দেশ দিয়েছেন, একটি সংবিধান দিয়েছেন, দুর্বত্তরা সেই শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে বাংলার ইতিহাস করেছে কলঙ্কিত, বিশ্বের কাছে বাঙালিকে করেছে লজ্জিত। আমরা আজ এখানে মিলিত হয়েছি বাংলার ইতিহাসের সেই নিষ্ঠুরতম দিনকে স্মরণ করার জন্য।

আজ ১৩ আগস্ট রোববার বেলা ৩ টায় নগরীর প্রবর্তক মোড়স্থ প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. অনুপম সেন এসব কথা বলেন।

রেজিস্ট্রার আবু তাহেরের সভাপতিত্বে এবং তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের প্রভাষক সাইফুদ্দিন মুন্নার সঞ্চালনায় এ-অনুষ্ঠানে ড. অনুপম সেন স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর অবদান প্রসঙ্গে বলেন, পশ্চিম পাকিস্তান ২৩ বছর ধরে অনেক নগ্নভাবে পূর্ব পাকিস্তানকে শোষণ করে। তখন বাঙালির কোন অধিকার ছিল না। বাঙালিরা সরকারি কোন সেক্টরে উচ্চ পদস্থ কোন পদে যেতে পারতো না। এভাবে বাঙালিকে দমিয়ে রাখা হয়েছিল। অন্যদিকে বাঙালির সম্পদ দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানে তিনটি নগরী গড়ে উঠেছিল। পূর্ব পাকিস্তান ও বাঙালির প্রতি তাদের কোন দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ ছিল না । ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে পুরো পূর্ব পাকিস্তানকে তারা অরক্ষিত রেখেছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধু তাঁর দীর্ঘ সময়ের আন্দোলন-সংগ্রাম ও দীর্ঘ ন’মাসের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ স্থাপন করে তাঁর কাছে বাঙালিকে চিরকালের জন্য ঋণী করেন। প্রফেসর ড. অনুপম সেন তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের প্রতি চরম ঘৃণা ও ধিক্কার জানান।

বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে খতমে কোরান ও মিলাদ মাহফিল শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আলোচক ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. তৌফিক সাঈদ, বিজনেস অনুষদের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডীন মঈনুল হক।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শেখ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, উপ-পরিচালক (হিসাব) হাছানুল ইসলাম চৌধুরী, প্রক্টর আহমেদ রাজীব চৌধুরী, তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান ইফতেখার মনির, মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান সাদিয়া আকতার, অ্যাকাউন্টিং বিভাগের চেয়ারম্যান ইমন কল্যাণ চৌধুরী ও আইন বিভাগের চেয়ারম্যান তানজিনা আলম চৌধুরী প্রমুখ।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


CAPTCHA Image
Reload Image