রবিবার,২৬ জুন ২০১৬
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম
রেজাউল করিম, আনোয়ারা প্রতিনিধি :- চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কেনাকাটা জমে উঠছে। আজ শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় আনোয়ারার শপিং মল, বিপণী-বিতান থেকে শুরু করে ফুটপাতের
বাজারগুলোতে লক্ষণীয় ভীড় ছিল। মার্কেট থেকে নিম্নবিত্তের মার্কেট সব জায়গাতেই ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড় ছিলো। সাধ ও সাধ্যের বিবেচনায় কিছুটা আগেভাবে ঈদের নতুন পোশাক কিনতে সন্তানদের সাথে নিয়ে মার্কেটে এসেছেন অভিভাবকরা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতদিন পর্যন্ত বাজারে
হাতেগোনা ক্রেতা দেখা গেলেও আজ শুক্রবার ছুটির দিনে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বিক্রি করেছেন তারা। যদিও কেনাকাটা পুরোদমে শুরু হতে আরো কয়েকদিন সময় লাগবে বলে জানালেন তারা। তবে গত সপ্তাহে চাকরিজীবীদের বেতন হওয়ার পর.প্রথম ছুটির দিনে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি বেচাকেনা হচ্ছে। মানুষ অবসর সময় কাজে লাগিয়ে কেনাকাটায় বেরিয়েছেন বলে
মন্তব্য তাদের।
আজ সারাদিন সরেজমিনে ঘুরে আনোয়ারার বটতলী মার্কেট, সেন্টার মার্কেট, দিদার মার্কেট, হাইলধর মার্কেট, পৈরাইকোটা মার্কেট ও পটিয়া বাজারসহ বেশিরভাগ মার্কেটেই ক্রেতাদের ভীড় দেখা গেছে। এতে চৌমুহনী বাজারকে কেন্দ্র করে আনোয়ারা, বরকল, বাঁশখালী, সেন্টার, বটতলী সড়কে তীব্র যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়। শাড়ি, থান কাপড়, থ্রি-পিস, বাচ্চাদের পোশাক, মেয়েদের বিভিন্ন
ধরনের ড্রেস, কসমেটিকস, পারফিউম,
ছেলেদের শার্ট, পাঞ্জাবি, জিন্স প্যান্ট, স্যান্ডেলসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্যের বেচাকেনা চলছে। বটতলী জামাল মার্কেটে ক্রেতা আকর্ষণের জন্য কুপনের মাধ্যমে পুরস্কারের ব্যবস্থা করতেও দেখা গেছে।
আনোয়ারার বটতলী জামাল মার্কেটে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড় ছিল লক্ষণীয়। জানতে চাইলে জাহানারা ফেরদৌস
নামে গৃহবধূ সিটিজিবার্তা২৪ কে বলেন, ‘শুক্রবার হওয়ায় হাতে সময় আছে। তাই বাচ্চাকে নিয়ে কেনাকাটায় বের হয়েছি।’ তার সন্তানের জন্য পাঞ্জাবি ও জুতা কিনেছেন বলে
জানান তিনি।
দিদার মার্কেটের কাপড় ব্যবসায়ী ইমরান জানান, রোজা শুরুর পর আজ আশানুরূপ বিক্রি হয়েছে। বিক্রির এই ধারা আর থামবে না
বলেও মনে করছেন তিনি। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এবার নারীর পছন্দের তালিকার শীর্ষে রয়েছে ভারতীয় ও পাকিস্তানি থ্রি-পিস, দেশীয় বুটিকস, লেহেঙ্গা, জামদানি শাড়ি, ভারতীয় কাতান, কাশ্মিরী সিল্ক, বেনারসি কাতান,
কাঞ্চিভরম। ছোটদের প্রিয় বাজিরাও মাস্তানি।
তরুণীদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে টু’পিস লাসা। এছাড়াও সারারা, পানচু, রজনীকান্ত নজর কাড়ছে ক্রেতাদের। আর তরুণদের আগ্রহ ভারতীয় পাঞ্জাবি, সুতি ও দেশীয় তাঁতের পাঞ্জাবি, ব্লক প্রিন্টের পাঞ্জাবি, ধুপিয়ান, ইন্ডিয়ান পুঁতির কাজ করা পাঞ্জাবিতে।
আনোয়ারার বিভিন্ন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে ভাটা, এপেক্স, লুট্টো, ডাটা কোম্পানির জুতা এসেছে।
