ছাত্রলীগ নেতা “সোহেল হত্যাকান্ডে”
সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published: 25 Jun 2016 04:31:00 AM Saturday।।
চট্টগ্রামবার্তা২৪ : প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ ২৩ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান আয়োজনের কর্তৃত্ব নিয়ে বিরোধের জের ধরে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে পরিকল্পিতভাবে হামলার শিকার নগর ছাত্রলীগের সদস্য নাসিম অাহমেদ সোহেল (২৪) হত্যাকাণ্ডের আটান্ন দিন (প্রায় দুই মাস) পার হলেও এখনো গ্রেপ্তার হয়নি এ হত্যা মামলার মূল আসামি (সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে প্রমানিত) মো. ইব্রাহিম সোহানসহ এজাহারভূক্ত নতুন কোন আসামি।
তবে গতকাল শুক্রবার (২৪ জুন) বিকেলে ২নং গেট আলফালাহ গলি থেকে ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে সোহেল কে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি বের করে দেয়া সেই যুবকের সঙ্গে চেহারার মিল রয়েছে সন্দেহে মো. আসিফ ওরফে কসাই লেদু (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যদিও গ্রেফতারকৃত আসিফ হত্যার বিষয়ে কোন তথ্য দিয়েছে কিনা এ ব্যাপারেও সুনির্দিষ্টভাবে কিছুই জানাতে পারেনি পুলিশ। এদিকে নিহত সোহেলের পরিবার ও সহপাঠীদের অভিযোগ পুলিশ মূল হত্যাকারীদের গ্রেফতারে কালক্ষেপণ ও পক্ষপাতিত্ব করছেন।
এদিকে গত ২৯ মার্চ বিকেলে ঘটনাস্থল থেকে সোহেলের সহপাঠীরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে যে পাঁচজনকে ধরে পুলিশে দিয়েছিল সেই পাঁচজন ছাড়া নতুন এক যুবক কে আটক ছাড়া মামলার এজাহারভূক্ত কোন আসামীকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি চকবাজার থানা পুলিশ।
‘যদিও গত এপ্রিল মাসে আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে “সোহেল হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত” বলে উল্লেখিত করেছিলেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চকবাজার থানার উপ-পরিদর্শক হুমায়ুন কবির।’
নাসিম আহমেদ সোহেল খুন হওয়ার আটান্ন দিন পার হয়ে গেলেও এখনো এজহারভূক্ত ৮ আসামিকে আটক করতে ব্যর্থ হওয়ার দায়ে চকবাজার থানার ওসি আজিজের প্রত্যাহার দাবি করেন তার সহপাঠীরা।
চকবাজার থানার ওসি আজিজ অাহমেদ এর বিরুদ্ধে সোহেলের মূল হত্যাকারীদের গ্রেফতারে কালক্ষেপণ ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে প্রত্যাহারসহ মামলায় উল্লেখিত খুনীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি করেছেন তার সহপাঠী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা।
‘নাসিম আহমেদ সোহেল হত্যাকে ডাইবার্ট করতে মূলইন্ধনে জড়িতদের ও প্রধান আসামিসহ খুনিরা এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় গত দুই মাসের বেশকিছু সভা-সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য সরাসরি ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা নগর অাওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী।’
মামলার বাদী সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট আবু তাহের রাজনীতিবিদ ও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমার ছেলের লাশের উপর দাঁড়িয়ে সবাই রাজনীতি করতে ব্যস্ত। কেউ তো খুনিদের গ্রেপ্তারে পুলিশকে বাধ্য করছেন না। দুই মাস পার হয়ে যাচ্ছে অথচ আমার সন্তান হত্যাকারী সোহানকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।’
তবে এব্যাপারে সিএমপির এক উপ-কমিশনার ও চকবাজার থানার ওসি আজিজ আহমেদ দাবি করেন, ‘গতকাল ছাত্রলীগ নেতা নাসিম আহমেদ সোহেল হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে মো. আসিফ ওরফে কসাই লেদু (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে। মামলার তদন্ত যথারীতি চলছে। আসামীদের গ্রেফতারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার স্বার্থেই সব কিছুই গোপন রেখে তদন্ত এবং গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান।’
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৯ মার্চ প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ ২৩তম ব্যাচের বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান আয়োজনের কর্তৃত্ব নিয়ে নগর অাওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী নগর ছাত্রলীগের সদস্য এমবিএ প্রথম বর্ষের ছাত্র নাসিম আহমেদ সোহেল খুন হন।
ছাত্রলীগ নেতা ‘সোহেল হত্যাকান্ড পরিকল্পিত’
গত ৩০ মার্চ এ ঘটনায় নিহত সোহেলের পিতা অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট আবু তাহের বাদী হয়ে চকবাজার থানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সোহানকে প্রধান আসামি করে ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ২০-২৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন।
সোহেলকে নিয়ে রাজনৈতিক হিসেবে-নিকেশ করবেননা ছাত্রলীগ
উক্ত মামলায় আসামি করা হয়েছিলো – আশরাফুল ইসলাম (২০), ওয়াহিদুজ্জামান (২১,) জিয়াউল হায়দার (২২), গোলাম মোস্তাফা (২২), তামিমুল আলম (২৪), সোহান, জয়নাল, সাঈদ, উজ্জল, তারেক, আবিব, সায়েম, সাইফুল। এদের মধ্যে প্রথম পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পরবর্তীতে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালত তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করেছিলেন বর্তমানে আসামীরা কারগারে আছেন।
পরবর্তীতে সোহেল হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হওয়ায় প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ আজীবনের জন্য বহিষ্কৃত করেন বিবিএর আশরাফুল ইসলাম, ওয়াহিদুজ্জামান নিশান, মো. জিয়াউল হায়দার চৌধুরী, এসএম গোলাম মোস্তফা, তামিম উল আলম, মো. ইব্রাহীম (সোহান), এমবিএর কাজী মো. জয়নাল আবেদীন, সাইফ উদ্দিন, মো. আবু জাহেদ (উজ্জ্বল), মো. নিজাম উদ্দিন (আবিদ), এলএলবি অনার্সের সাইফুল মোহাম্মদ তারেক, এমবিএর নুরুল ফয়সাল (স্যাম), এলএলবি অনার্সের মো. সাইফুল ইসলাম সাকিব, এলএলএমের আবু ফয়েজ, বিবিএর মো. রাশেদুল হক (ইরফান) ও মো. নাজমুল হককে।
সে সময় গ্রেফতারকৃত পাঁচজন তিন দিনের রিমান্ডে জানিয়েছিলেন, ছাত্রলীগের কর্মী ও প্রিমিয়ারের বর্তমান শিক্ষার্থী জয়নাল, সায়েম, সাইফ, নাজমুল, উজ্জল ও শ্যামের যৌথ মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
নগরীর কাতালগঞ্জ এলাকায় তাদের ‘বেথ ওভেন’ নামে একটি রেস্টুরেন্ট এবং পাঁচলাইশ মোড় এলাকায় ‘গ্লোরিয়াস ইভেন্ট’ নামে একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
সোহেল হত্যাকাণ্ডের ইন্ধনদাতা হিসেবে অভিযুক্ত নাজমুল, জয়নাল, সাইফ ও প্রধান আসামি সোহান
এই প্রতিষ্ঠান থেকে গত কয়েক বছর ধরে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান অায়োজনের জন্য ইভেন্টের কাজগুলো তারা করতো। তবে এবারের অনুষ্ঠান আয়োজনে বাধঁ সাধেন খুনের শিকার ছাত্রলীগ নেতা সোহেল। বিদায় অনুষ্ঠানের দায়িত্ব কে নেবে সেটি নিয়ে সোহেল আর জয়নালের গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। এনিয়ে তাদের মধ্যে কয়েকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। এমনকি সোহেল হত্যা মামলার এজহার নামীয় আসামিদের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে সেসময় চকবাজার থানায় জিডি করেছিলেন নিহত সোহেল। অাবার সোহেলের নামেও থানায় জিডি দায়ের করা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছিলেন।
মূলত সোহেল নগর ছাত্রলীগের সদস্য হওয়ায় প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিরভাগ ছাত্রলীগ কর্মী তার অনুসারী ছিলেন। আর পরিচ্ছন্ন ছাত্র নেতা হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে তার গ্রহণযোগ্যতাও ছিল। সেকারণে সাধারণ নেতাকর্মীরাও চাইছিলেন, সোহেলের তত্ত্ববধায়নেই বিদায় অনুষ্ঠানটি হোক। আর অনুষ্ঠানের যাবতীয় কাজও সেজন্য বাইরের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে করতে চেয়েছেন সোহেল। তবে জয়নাল, নাজমুল, সায়েমরা চেয়েছেন আগের মত এই বিদায় অনুষ্ঠানের যাবতীয় কাজ ও খাবারের সব অর্ডার তাদের নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকেই দিতে। তবে এতে কোনও ভাবে সায় দেননি নিহত ছাত্রলীগ নেতা সোহেল। এনিয়েই মূলত ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের সূত্রপাত এবং সর্বশেষ গত ২৯ মার্চ এ হতাহতের গঠনাটি গঠেছিলো। যেটি হত্যাকাণ্ডের পরের দিনই আমাদের বিভিন্ন অনুসন্ধানী ‘শেকড়ের সংবাদের’ প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল।
নিহত সোহেলের পরিবারের দায়িত্ব নিলেন মহিউদ্দিন চৌধুরী
তবে খুনের পর থেকে নগর অাওয়ামী লীগের শীর্ষ দুই নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী ও আ জ ম নাছির উদ্দিন খুনিদের গ্রেপ্তার দাবি, মেয়র নাছিরের খুনিদের শহর ছেড়ে পালাতে না দেয়ার জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান কিংবা সোহেলের বাবার অাকুতি। কোনও কিছুতেই কাজ হয়নি। হত্যাকান্ডের মূল খুনিদের গ্রেপ্তারে ব্যর্থ হয়েছে পুলিশ বলে মনে করছেন নিহতের পরিবার।
‘মহিউদ্দিন ভাই ও বিশিষ্টজনেরা মিথ্যা-বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছেন’ আজম নাছির
প্রায় দুই মাস পেরিয়ে যাচ্ছে কিন্তু আদরের কনিষ্ঠ সন্তানের প্রধান খুনিসহ মামলার এজহারে উল্লেখিত মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করতে না পারায় হতাশা প্রকাশ করে সংবাদ প্রতিবেদকের মাধ্যমে সকল সাংবাদিকদেরকে নিজের পাশে দাঁড়ানোর আকুল আবেদন জানিয়েছেন সোহেলের পিতা ও মামলার বাদী অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট আবু তাহের।
মেয়র নাছিরকে বলছি সংযত হয়ে কথা বলুন : মহিউদ্দিন চৌধুরী
তিনি বলেন, ‘বাবা, সবাই আমার ছেলের লাশের উপর দাঁড়িয়ে রাজনীতি করতে ব্যস্ত। কেউ তো মূল খুনিদের গ্রেপ্তারে পুলিশকে বাধ্য করছেন না। আজ সাতান্ন দিন প্রায় ২ মাস হয়ে গেলো কোন এক কসাইকে মামলার এজাহারভূক্ত আসামী আসিফের সাথে মেলাচ্ছে পুলিশ।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মালার প্রধান আসামি সোহানকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তিনি তাদের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, যদি পুলিশ প্রশাসন এ মামলায় আন্তরিকভাবে হস্তক্ষেপ করে তাহলে আজকেই সোহান সহ বাকী আসামীদের গ্রেফতার করে আমার সন্তানের খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করতে কি আমাদের সহযোগিতা করতে পারেনা?
“আমার সন্তান নাসিম আহমেদ সোহেলের আসল খুনিদের গ্রেফতার এবং ফাঁসির দাবি করে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।”
কিছুক্ষণ পর সংবাদের প্রতিবেদককে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘এখন যদি আপনারা একটু আমার পাশে দাঁড়ান। খুনিদের সনাক্তকরণের জন্য লেখালেখি করেন প্রতিনিয়ত। তাহলে ছেলে হত্যার সুষ্ঠু বিচার পাব বলে আশা করছি।’
‘প্রশাসন নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে সোহেল হত্যাকান্ডের মূলহোতাদের গ্রেফতারে সক্ষম হবেন’ আ জ ম নাছির
সোহেল হত্যাকান্ডের পর থেকে হত্যাকরীদের বিচারের দাবিতে সক্রিয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত তখন বিভিন্ন গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ‘সোহেল হত্যাকান্ডের মূল আসামীদের পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি। ঘটনাস্থল থেকে আমরা যে পাঁচজনকে ধরে পুলিশে দিয়েছিলাম তাদের ছাড়া নিজেরা একজনকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। চকবাজার থানার ওসি এই মামলাটি নিয়ে রহস্যজনক আচরণ করছেন বলেও তখন তিনি অভিযোগ করেছিলেন।’
অপরাজনীতিও সোহেল হত্যাকারীদেরকে বাঁচাতে পারবে না
সে এসময়কারে তিনি বলেছিলেন, ‘সোহেলের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে আমরা নতুন করে কর্মসূচি নিয়ে রাস্তায় বিচারের দাবিতে সোচ্ছার হবো। চকবাজার থানার ওসির প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন দাবি থাকবে। আমরা বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কমিশনারের সাথে সাক্ষাত করব।’
কিন্তু এখনো কর্মসূচী কিংবা এ ব্যাপারে নতুন করে কোন কিছুর পদক্ষেপি শুরু করতে পারেনি তারা।
এদিকে গত ২৭ এপ্রিল সিএমপির গোয়েন্দা পুলিশের একজন উপ কমিশনারের কাছে সোহেল হত্যাকান্ডের আসামিদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় নিজের ক্ষোভ ও হতাশার কথা জানিয়েছেন নগর অাওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। এসময় তিনি মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশকে দিয়ে তদন্ত করানোর কথাও বলেছিলেন।
সোহেল হত্যার ঘটনায় উত্তাপ ছড়াচ্ছে নগর আ’লীগের রাজনীতিতে
এ প্রসঙ্গে সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) দেবদাস ভট্টচায্য অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে, মামলার মূল আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সর্বাত্বক চেষ্টা করছে। গতকালকেও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে আশা করছি জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার রহস্য উদঘাটিত হবে। তবে তিনি সংবাদমাধ্যমকে সুনির্দিষ্ট করে গ্রেফতারকৃত আসিফ হত্যাকান্ডে জড়িতকিনা এ ব্যাপারে সুনিদিষ্ট কোন তথ্য জানাতে পারেননি।
চট্টগ্রামে চার ইস্যুতে প্রকাশ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে বিভক্ত আ’লীগ
চকবাজার থানার ওসি আজিজ আহমেদ বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে এক যুবক সোহেল কে হত্যা করার জন্য ধারালো ছুরি বের করে দিয়েছে। সেই যুবকের সঙ্গে গ্রেপ্তারকৃত আসিফের চেহারার মিল রয়েছে।’
মামলার এজাহারভূক্ত মূল আসামীদের কালক্ষেপনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর.কম কে বলেন, ‘আসামিদের গ্রেপ্তারে আমাদের জোর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে এনিয়ে বেশি কথা বললে কিংবা সংবাদ প্রচারিত হলে আসামিরা সর্তক হয়ে গোপনে হয়তো দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেথে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’
সিটিজিবার্তা টোয়েন্টিফোর.কম/ প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০১৬/ ০৪:৩১:০০ ঘন্টা/ জেএ/ এম এম

