বুধবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৬
সিটিজিবার্তা২৪ডটকম

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় হালিশহরে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।
চট্রগ্রাম : চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহর থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার রোড-১,লেইন-৬ এ অবস্থিত বুলেট মিল্ক আইসবার এবং পাহাড়তলি থানাধীন অলংকার মোড়ে অবস্থিত ইলিয়াস বেকারীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বুধবার দুপুর ২ টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিসট্রেট রুহুল আমিনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিসট্রেট রুহুল আমিন বলেন,বুলেট আইসবার এ অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায় পুরানো অব্যবহৃত আইস্ক্রিক প্যাকেট এবং স্টিকসহ একটা বড় পাত্রে ফ্যানের বাতাসে গলানো হচ্ছে,পুনরায় ব্যবহার করার জন্য। সাইট্রিক এসিড পানিতে মিশিয়ে আইসক্রিম বানানো হচ্ছে।কিভাবে মেশানো হচ্ছে জিজ্ঞাসা করলে মালিক জানান যে,এক বালতি পানিতে আধমুট। ক্ষতিকর রঙ ব্যবহার করা হচ্ছে। আবাসিক সংযোগ নিয়ে বাণিজ্যিক কাজে গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে,যা কিনা গ্যাস আইন ২০১০ এর ধারা-১১ এর লংঘন।
তিনি আরও বলেন ইলিয়াস বেকারীতে অভিযানকালে দেখা যায় কয়েকদিনের পুরানো কালো দাগ এবং ছত্রাক পড়া বাকরখানি কারখানায় সংরক্ষন করা হচ্ছে। কালো দীর্ঘদিনের পুরান মিস্টির রস ব্যবহার করা হচ্ছে। ময়লা পড়া নোংরা পুরান কাঠের পাত্রে ডালডা প্রক্রিয়া করা হচ্ছে।ঢেকে না রাখায় ময়লার আস্তর পড়া। বিভিন্ন ধরনের রং ব্যাবহার করা হচ্ছে,কেন ব্যবহার করা হচ্ছে জিজ্ঞাসা করলে কোন উত্তর দিতে পারেননি। উৎপাদিত ব্রেডের গায়ে কোন মেয়াদ নাই।
এসকল অনিয়মের জন্য ইলিয়াস বেকারী এর ম্যানেজার সুলতান আলম কে ৫০০০০ টাকা জরিমানা করা হয় এবং একই সাথে সতর্ক করে দেয়া হয়।
অন্য দিকে বুলেট আইসবার এর মালিক সাদিয়া ফেরদৌসি কে গ্যাস আইন লংঘনের অপরাধে ২৫০০০ টাকা জরমানা করা হয়।এবং লাইসেন্স ছাড়া আইসক্রিম ও ভোক্তা অধিকার লংঘনের দায়ে কারখানা বন্ধ করে দেয়া হয়।
